২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

কেবল করোনার ভ্যাকসিনেই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে বিশ্ব : জাতিসংঘ মহাসচিব

আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক:: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসকে থামাতে গেলে দ্রুত প্রয়োজন নিরাপদ ও কার্যকর একটি প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন। একমাত্র করোনাজনিত কোভিড-১৯ রোগের ভ্যাকসিনেই  প্রতিহত করা যাবে করোনাজনিত মহামারি। তাতে বাঁচবে কোটি মানুষ, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে বিশ্ব, এমনটাই বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

এক ভিডিও কনফারেন্সে বুধবার জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, মানুষের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ ও কার্যকর কোনো ভ্যাকসিনই পৃথিবীকে আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে। কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচবে। শত শত কোটি ডলারের অপচয় বন্ধ হবে, অর্থনীতির ভাঙন থামবে।’ বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বজুড়েই রোগটির ভ্যাকসিন তৈরি নিয়ে গবেষণা চলছে। জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, বিশ্বের সব দেশের রাষ্ট্রনেতা ও শিল্পপতিদের এ কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। গবেষণার জন্য তহবিল জড়ো করতে হবে। ২০২০ সালের শেষ নাগাদ যদি ভ্যাকসিন হাতে চলে আসে, তাহলেই এ মহামারি থামানো সম্ভব।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছিল, করোনা ভাইরাস মহামারির জেরে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হবে হাজার হাজার কোটি ডলার। এর ফলে সবচেয়ে বিপদে পড়বে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষই বাস করেন উন্নয়নশীল দেশে। জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, করোনাজনিত সংকটের মোকাবিলা করা যাবে যদি সারা বিশ্ব এক হয়ে হয়ে চলার শপথ নেয়। তিনি আরো বলেন, মানবসভ্যতার এ সংকটের সময় এক হয়ে লড়াই করতে হবে। পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-বিদ্বেষ জটিলতা আরো বাড়াবে।

বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ইউরোপে করোনায় আক্রান্ত ১০ লাক পেরিয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। যুক্তরাষ্ট্রেই ভাইরাসে আক্রান্ত ছয় লাখের বেশি। করোনায় মারা গেছে ২৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে চীনের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অর্থসাহায্য বন্ধ করে দিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন বিল গেটসও। তিনি বলেছেন, এমন হঠকারি সিদ্ধান্ত পুরো বিশ্বকেই বিপদে ফেলতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র সমালোচনা করেছে জাতিসংঘও। সংস্থাটির মহাসচিব বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেকে অর্থসাহায্য বন্ধ করে দেওয়ার কারণে যদি গবেষণায় কোনো প্রভাব পড়ে, তাহলে বিশ্বের কাছে সেটা মঙ্গলজনক নয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তের কারণে ভাইরাস মোকাবিলায় সংস্থাটির ক্ষমতা অনেক কমে যাবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network