২৭শে মে, ২০২০ ইং, বৃহস্পতিবার

ঘণ্টায় ১৯০ কিলোমিটার বেগে তাণ্ডব চালা‌তে পারে আম্ফান

আপডেট: মে ১৭, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
আপডেট নিউজ ডেস্ক:: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরো সামান্য উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‌‘আম্ফান’-এ পরিণত হয়েছে। যেটি ক্রমশই গতি বেড়ে ভয়াবহ হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
 
গতকাল চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়। শনিবার রাতে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা পরিবর্তন করে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেয় আবহাওয়া অধিদফতর। রোববার সকালে সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। সে সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সেখানে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।
 
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, রোববার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে; কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে; মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
 
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি শনিবার রাত ৯টার দিকে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেয়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সাইক্লোন সংক্রান্ত আঞ্চলিক সংস্থা এসকাপের নির্ধারিত তালিকা থেকে তখন এর নাম দেয়া হয় ‘আম্পান’। এটি থাইল্যান্ডের দেয়া নাম।আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন জানান, বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়তে তিন থেকে চারদিন সময় লাগবে।
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network