২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে গৌরনদীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক সন্দেহে মা’র’ধ’র, আহত-৬ বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ছেড়ে ৩০০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জের প্রান্তিক ভোটাররা ঝুঁকছেন দাঁড়িপাল্লার দিকে বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা: ডা. শফিকুর রহমান গৌরনদী বার্থী ইউনিয়নে জহির উদ্দিন স্বপনের ব্যাপক গণসংযোগ বাকেরগঞ্জের ইউএনও, সার্কেল এএসপি ও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহারের দাবি

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ” ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের যৌথ বিবৃতি

আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 

“গর্বের বাকেরগঞ্জ” ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের যৌথ বিবৃতি

নিজিস্ব প্রতিবেদক:: এই মর্মে বাকেরগঞ্জ উপজেলাবাসী বিশেষ করে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর সকল সদস্য, শুভাকাক্সক্ষী এবং শুভানুধ্যায়ীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মোজাম্মেল হোসেন মোহন (এডঃ) বিগত ২০১৪খ্রীঃ মরহুম ভাষাসৈনিক মোঃ মোবারক হোসেনের ঢাকায় জন্ম দিবস পালন অনুষ্ঠানে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” নাম দিয়ে একটি সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। উল্লেখ্য উক্ত অনুষ্ঠানে মহান ভাষা আন্দোলনের সিপাহসালার ডঃ আব্দুল মতিন এবং তিনজন ভাষাসৈনিক সহ জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। “গর্বের বাকেরগঞ্জ” প্রতিষ্ঠার পরপরই জনাব মোহন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিয়মিত বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক তথ্য বহুল বিষয়াদি প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২৫ মার্চ ২০১৫খ্রিঃ “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর ১১ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হয়। উল্লেখ্য উক্ত সমন্বয়ক কমিটিই বর্তমানে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য। আগস্ট ২০১৫খ্রিঃ “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর ৩ মাস মেয়াদি ১৭ সদস্য (উক্ত ১১ সদস্য সমন্বয়ক সদস্য সহ) বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তখনকার উপস্থিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য ৩ মাস সময় পাবেন। কোন কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে না পারলে আরও ২ মাস সময় পাবেন। এই ৫ মাসের মধ্যে কমিটি গঠন করতে না পারলে কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। উল্লেখ্য আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক জনাব জাকির হোসেন উক্ত ৫ মাসে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতার কাছে থেকে নিয়মিত সম্মানী নিয়েছেন। এমনকি উক্ত আহ্বায়ক তখনকার সংগঠনের অফিসে (খদ্দের বাজার শপিং কমপ্লেক্স, জিপিও, ঢাকা) সদস্যদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” কে একটি রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করতে চাইলে সদস্যদের হাতে একাধিক বার লাঞ্ছিত হন।

আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে ব্যর্থ হলে, পরবর্তীতে সাধারণ সভার মাধ্যমে এপ্রিল ২০১৬খ্রিঃ “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। সাম্প্রতিককালে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” নিয়ে দুই/একজন বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ নিজেদের খেয়াল খুশি মতো ফেসবুকে আপত্তিকর কথা বার্তা বলছেন, উল্লেখ্য তাদের কেউই এপ্রিল ২০১৭ এর আগে সংগঠনে আসে নাই এবং ২০১৮ এর এর মাঝামাঝি পরবর্তী সংগঠনে ছিলেন না। “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর গঠনতন্ত্রে স্পষ্ট উল্লেখ আছে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর কোন সদস্যরা কোন রকমের কারো সাথে আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন না। সংগঠনে সব রকমের আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ। “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর অফিস সহ ব্যয়ভার সহ সমস্ত খরচই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা একা অদ্য পর্যন্ত বহন করতেছেন। আপনারা জানেন, “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর প্রতিষ্ঠাতা বাকেরগঞ্জে একটা জাদুঘর করার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং উক্ত জাদুঘরের জন্য “গর্বের বাকেরগঞ্জ” কে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ৫ লক্ষ টাকা দান করেন। উক্ত টাকা থেকে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন মোল্লা (ওরফে নাসির গুরু) তার ছেলের টিউমার অপারেশনের কথা বলে ৫০,০০০ টাকা ধার নেন। তৎকালীন সহ সভাপতি মতিঝিল থানার হিজবুত তাওহীদের ইমাম মোঃ জাহাঙ্গীর মল্লিক (ওরফে তৌহিদ) তার স্ত্রীর জরায়ুর পাথর অপারেশনের কথা বলে ৫০,০০০ টাকা ধার নেন। তখনকার সহসভাপতি জামাতে ইসলামের রোকন আবুল বাশার (এমএ বাশার) ডেংগু চিকিৎসার জন্য ৩০,০০০ টাকা ধার নেন। তৎকালীন সম্পাদক আল্লাহর দলের নেতা মোজাম্মেল হোসেন আকাশ তার স্টুডিও ব্যবসায় সমস্যা থাকার কথা বলে ১,০০,০০০ টাকা ধার নেন এবং তখনকার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাতে ইসলামের ঢাকার দয়াগঞ্জ ইউনিটের বায়তুলমাল সম্পাদক সোহেল রানা তার গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ব্যবসার জন্য ধার নেন ১,৫০,০০০ টাকা। উল্লেখ্য উক্ত ব্যক্তিরা “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর প্রতিষ্ঠাতার দেওয়া উক্ত টাকা অদ্য পর্যন্ত তাকে বা সংগঠনকে ফেরত দেন নাই, উল্টো আর্থিক অনিয়মের কথা বলে মিথ্যে, বানোয়াট, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আপত্তিকর কথা ছড়াচ্ছেন। যা অত্যন্ত ন্যাক্কার ও লজ্জাজনক এবং হীন মানসিকতার পরিচয় বহন করে। আমরা স্পষ্টকরে সকলকে জানাতে চাই, “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এ কোন রকমের আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ। সরকারি, বেসরকারি কিংবা কোন সদস্য, শুভাকাক্সক্ষী বা শুভাকাীদের কাছ থেকে কোন রকমের চাঁদা বা অনুদান নেওয়া হয় না। এমন কেউ কোন প্রমাণ দিতে পারলে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” প্রতি টাকার অনুকূলে একলক্ষ টাকা করে জরিমানা দিতে বাধ্য থাকবে। “গর্বের বাকেরগঞ্জ” অদ্য পর্যন্ত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এবং সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ডের অনুদানে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এ পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা একবার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে ৬,৩০০ টাকা, দুইবার ইফতার মাহফিলে ২,৭০০ টাকা ও ৪,১০০ টাকা অনুদান দিয়েছেন। উক্ত টাকা তখনকার সময়ের অর্থ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, নাসির উদ্দিন উঠিয়েছেন ও তাদের হাতে তাঁহারাই খরচ করেছেন এবং এর সাথে উক্ত অনুষ্ঠানের অবশিষ্ট টাকা “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর প্রতিষ্ঠাতা দিয়েছেন। সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন মোল্লা (ওরফে নাসির গুরু) তার ফেসবুকে সম্প্রতি “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এবং এর প্রতিষ্ঠাতাকে নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছেন। উক্ত পোষ্টটি আমাদের দৃষ্টি ঘোচর হয়েছে। আমরা উক্ত লেখার বিষয়ে আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করছি। “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এবং এর প্রতিষ্ঠাতাকে নিয়ে যে সব কথা বলছেন, সে সব বিষয় নিয়ে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইনশাআল্লাহ্ আপনারা শীঘ্রই এ বিষয়ে জানতে পারবেন। সামাজিক সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের একাধিক দফতর বা অধিদপ্তর নিবন্ধন থেকে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে, “গর্বের বাকেরগঞ্জ” একটি ট্রাস্টি নিবন্ধিত সংগঠন (রেজি নং ওঠ-৫১) এবং এর নাম ও লোগো ট্রেড মার্ক (টিএম নং-২৩৮৩২৫) নিবন্ধিত। আপনাদের সকলকে আসস্থ করে আমরা বলতে পারি, “গর্বের বাকেরগঞ্জ” যেহেতু একটি নিবন্ধিত সংগঠন এবং এর নাম ও লোগোটা পর্যন্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধিত। সেহেতু বাংলাদেশে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” নামে আর কোন দফতর বা অধিদপ্তর থেকে কেউ নিবন্ধন নিতে পারবেন না। এটাই বাংলাদেশ সরকারের আইন। স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ” বাকেরগঞ্জ উপজেলার সকলের জন্য উন্মুক্ত। তবে শর্ত হচ্ছে, “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর গঠনতন্ত্র মেনে নিয়ে সংগঠনকে নিয়ে, কেউ কোন রকমের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না। “গর্বের বাকেরগঞ্জ” পরিচালনার জন্য বর্তমানে একটি আহব্বয়ক কমিটি রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের পূর্ব পর্যন্ত এই আহ্বায়ক কমিটির নেতৃতে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” পরিচালিত হচ্ছে। “গর্বের বাকেরগঞ্জ” কাউকে ছোট বা খাটো করার জন্য এই বিবৃতিটি দিচ্ছে না। যেহেতু “গর্বের বাকেরগঞ্জ” কে নিয়ে একজন ব্যক্তি ফেসবুকে একটা লেখা পোস্ট দিয়েছেন, সেহেতু বাধ্য হয়ে “গর্বের বাকেরগঞ্জ” উক্ত লেখার উত্তর দিতে বাধ্য হল। স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ” এর সদস্য, শুভাকাক্সক্ষী এবং শুভানুধ্যায়ীদের অবহিত করছি, সংগঠনের কার্যক্রম পূর্বে যেমন চলমান ছিল বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতে আরও গতিশীলভাবে পরিচালিত হবে। সকলেই ভালো থাকবেন এবং নিরাপদে থেকে স্বাভাবিক কাজকর্ম পরিচালনা করবেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network