আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২০
আপডেট নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এ পর্যন্ত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৬২১। মৃতের সংখ্যা ৩৪ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে লকডাউন করা হচ্ছে। কিন্তু লকডাউনের নির্দেশনা অমান্যের খবরও মিলছে।
জানা গেছে, রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও নরসিংদীতে গত কয়েকদিন ধরে লকডাউন চলছে। শুক্রবার থেকে কয়েকটি জেলা ও একটি উপজেলা লকডাউনের আওতায় এসেছে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে লকডাউন ঘোষণা হওয়া জেলাগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে টহল দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবুও অধিকাংশ স্থানেই গমনাগমনসহ লকডাউনের নির্দেশনা মানছে না অনেকেই। লকডাউনের মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ থেকে নৌপথে করোনায় আক্রান্ত বেশ কয়েকজন অন্য জেলায় গমনের মাধ্যমে সংক্রমণের উদ্বেগ বাড়িয়েছেন।এমতাবস্থায় নৌপথে বিভিন্ন পয়েন্টে জনসমাগম সীমিত রাখা এবং যথার্থভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে নৌ পুলিশ। প্রয়োজনীয়সংখ্যক স্পিড বোট, রশদ ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ রোববার নৌ পুলিশ ৭ টি জাহাজ মোতায়েন করেছে। জাহাজগুলোর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে নৌপুলিশ স্টেশনের স্পিড বোটগুলো নিজস্ব জনবল নিয়ে কাজ করবে।
নৌ পুলিশের লিগ্যাল মিডিয়া অ্যান্ড ট্রেনিং বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরিদা পারভীন জানান, নৌ পুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলামের নির্দেশে নৌপথের নিরাপত্তা, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে নদীতে জনসাধারণের অবাধে চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং চলমান জাটকা সংরক্ষণ অভিযান জোরদার করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয়সংখ্যক স্পিড বোট, রশদ ও অস্ত্র শস্ত্রসহ সাতটি জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে।
মীর কাদিম, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী, কলাগাছিয়া, গজারিয়ায় ২টি জাহাজ, হাইমচর, চররাজেশ্বর, হরিনা, নীলকমলে ২টি জাহাজ, পাটুরিয়া, আরিচা সংলগ্ন পদ্মানদীতে ১টি লঞ্চ, হিজলা ও মেহেন্দি গঞ্জে, মেঘনা নদীতে ২টি জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জাহাজগুলো ওসব এলাকায় অবস্থান করবে। এবং নৌপুলিশ সদস্যরা করোনা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

