২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে গৌরনদীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক সন্দেহে মা’র’ধ’র, আহত-৬ বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ছেড়ে ৩০০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জের প্রান্তিক ভোটাররা ঝুঁকছেন দাঁড়িপাল্লার দিকে বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা: ডা. শফিকুর রহমান গৌরনদী বার্থী ইউনিয়নে জহির উদ্দিন স্বপনের ব্যাপক গণসংযোগ বাকেরগঞ্জের ইউএনও, সার্কেল এএসপি ও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহারের দাবি

পশু জবাইয়ের সময় কোরবানিদাতার নাম নেয়া কি জরুরি?

আপডেট: জুলাই ৯, ২০২২

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:: আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু উৎসর্গ দেয়াকে কোরবানি বলে। যার আভিধানিক অর্থ ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। কোরবানি ইসলামের অতি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত। যারা সামর্থ্যবান তাদের জন্য কোরবানি ওয়াজিব। আল্লাহর রাসুল (সা.) প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানকে কোরবানি দিতে উৎসাহ দিয়েছেন।
অনেক জায়গায় কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় কোরবানি দাতার নাম পড়ে শোনানো হয়। তবে পশু জবাইয়ের সময় কুরবানিদাতাদের নাম উল্লেখ করা জরুরি নয়। কেননা কাদের পক্ষ থেকে পশু কুরবানি করা হচ্ছে, সেটি তো পশু ক্রয়ের সময়ই নির্ধারিত হয়ে গেছে।

কিছু হাদিসে দোয়া পড়ে কোরবানি করার আগে কার পক্ষ থেকে কোরবানি করা হচ্ছে তার নাম বলে তারপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে জবাই করার সমর্থন পাওয়া যায়। যেমন হাদিসে এসেছে- হজরত জাবের বিন আবদুল্লাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) যখন কোরবানির দিন দুটি শিংওয়ালা মোটাতাজা বকরি জবাই করতেন, কোরবানির পশু শোয়ানোর পর তিনি পড়তেন ‘ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লালিল্লাজি ফাতারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি হানিফা, ওয়াআনা মিনাল মুসলিমিন। আল্লাহুম্মা মিনকা ওয়ালাকা ওয়া আন মুহাম্মাদিন (মুহাম্মদের পক্ষ থেকে) ওয়া উম্মাতিহি (তার উম্মতের পক্ষ থেকে) বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার।’ তারপর কোরবানি করতেন। (আবু দাউদ : ২৭৯৫)

শরিকানা পশুতেও জবাইয়ের সময় সবার নাম বলা যায়। যেহেতু যিনি জবাই করছেন তিনি সাতজন ব্যক্তির প্রতিনিধি হয়ে জবাই করছেন। তাই কোরবানি করার সময় তাদের পক্ষ থেকে তিনি কোরবানি করছেন, এ কথাটি পরিষ্কার করার জন্য নামগুলো বলা যায়। এতে দোষের কিছু নেই।

উল্লিখিত হাদিস থেকে জানা যায়, দোয়া পড়ে জবাই করলে আগে নাম উল্লেখ করায় কোনো সমস্যা নেই। তবে মুখে সব শরিকের নাম বলা জরুরি বিষয় নয়; বরং জবাইকারী শুধু পশুটির মালিকদের নামে কোরবানি করছেন- এতটুকু মনের মধ্যে রেখে জবাই করলেও কোরবানি বিশুদ্ধ হয়ে যাবে। তাই নাম বলা নিয়ে জবাইকারীকে পেরেশানি করার প্রয়োজন নেই। (ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দ : ১৫/৫১৭; বাদায়েউস সানায়ে : ৫/৭১)

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network