প্রসূতির ভ্যানের উপর সন্তান প্রসব, ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশের সহায়তায় চিকিৎসা
আপডেট: মে ৯, ২০২০
ফেইসবুক শেয়ার করুন
প্রসূতির ভ্যানের উপর সন্তান প্রসব, ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশের সহায়তায় চিকিৎসা
আপডেট:
Photo Card
Preview
প্রসূতির ভ্যানের উপর সন্তান প্রসব, ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশের সহায়তায় চিকিৎসা
স্টাফ রিপোর্টার।। বাগেরহাট:বাগেরহাটে ক্লিনিকে নেওয়ার পথে সড়কের উপর নিপা মন্ডল নামের এক প্রসূতি নারী সন্তান প্রসব করেছেন। শুক্রবার বাগেরহাট শহরের পৌরসভা সড়কের অসীম সাহার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে বের হয়ে এক ক্লিনিকে যাওয়ার পথে ভ্যাণের উপর একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন ওই নারী। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ত্রিপল নাইনে ফোন দিলে বাগেরহাট সদর থানা পুলিশ এসে ওই নারীকে ঐ ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সেখানে মা ও শিশু সুস্থ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্লিনিকের পরিচালক ডা. এস কে কাইয়ুম। প্রসূতি নিপা মন্ডল মোরেলগঞ্জ উপজেলার লক্ষিখালী গ্রামের অমৃত মন্ডলের স্ত্রী। সে বাগেরহাট শহরে মা-বাবার সাথে ভাড়াটিয়া বাসায় থাকতেন। তার স্বামী অমৃত মন্ডল ধান কাটার শ্রমিক...
স্টাফ রিপোর্টার।। বাগেরহাট:বাগেরহাটে ক্লিনিকে নেওয়ার পথে সড়কের উপর নিপা মন্ডল নামের এক প্রসূতি নারী সন্তান প্রসব করেছেন। শুক্রবার বাগেরহাট শহরের পৌরসভা সড়কের অসীম সাহার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে বের হয়ে এক ক্লিনিকে যাওয়ার পথে ভ্যাণের উপর একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন ওই নারী। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ত্রিপল নাইনে ফোন দিলে বাগেরহাট সদর থানা পুলিশ এসে ওই নারীকে ঐ ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সেখানে মা ও শিশু সুস্থ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্লিনিকের পরিচালক ডা. এস কে কাইয়ুম।
প্রসূতি নিপা মন্ডল মোরেলগঞ্জ উপজেলার লক্ষিখালী গ্রামের অমৃত মন্ডলের স্ত্রী। সে বাগেরহাট শহরে মা-বাবার সাথে ভাড়াটিয়া বাসায় থাকতেন। তার স্বামী অমৃত মন্ডল ধান কাটার শ্রমিক হিসেবে ১৫ দিন আগে চিতলমারীতে গেছেন।
নিপা মন্ডলের মা বিথি বাছার বলেন, ভোর ৫টার দিকে মেয়ে নিপার প্রসব বেদনা হলে ভ্যানযোগে আমরা তাকে পার্শ্ববর্তী ক্লিনিকে নেওয়ার জন্য রওনা হই। সেখানে পৌছানোর আগেই ভ্যানের উপর কন্যা সন্তান প্রসব করে নিপা। পরে পুলিশ এসে আমাদেরকে মুক্তি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। তারা অনেক সহযোগিতা করেছেন।আমরা এখন ভাল আছি।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহতাব উদ্দিন শিকদার বলেন, ত্রিপল নাইনে খবর পেয়ে এসআই কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনা স্থলে পৌছে নবজাতক ও তার মাকে আমরা ক্লিনিকে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করি। তাদেরকে পুলিশের পক্ষ থেকে পুষ্টিকর খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে আমরা যোগাযোগ অব্যাহত রাখছি।