রাজধানীর পান্থপথে ব্যবহৃত মাস্ক-হ্যান্ড গ্লাভস মজুদ, প্রতিষ্ঠান সিলগালা-জরিমানা
আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২০
ফেইসবুক শেয়ার করুন
রাজধানীর পান্থপথে ব্যবহৃত মাস্ক-হ্যান্ড গ্লাভস মজুদ, প্রতিষ্ঠান সিলগালা-জরিমানা
আপডেট:
Photo Card
Preview
রাজধানীর পান্থপথে ব্যবহৃত মাস্ক-হ্যান্ড গ্লাভস মজুদ, প্রতিষ্ঠান সিলগালা-জরিমানা
অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর পান্থপথে ব্যবহৃত সার্জিক্যাল মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস গুদামজাত করায় এএসএম ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিপুল পরিমাণ নকল হ্যান্ড গ্লাভস ও গাউন জব্দসহ গোডাউনটি সিলগালা করা হয়। র্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত কলাবাগানের ১৫২/২ গ্রিন রোড এলাকায় গতকাল সোমবার এ অভিযান চালায়। অভিযান পরিচালনা করেন র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বসু। মঙ্গলবার র্যাব-২ এর মিডিয়া কর্মকর্তা পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন ফারুকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির দুটি গোডাইনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রচুর পরিমাণ ব্যবহৃত সার্জিক্যাল মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভসসহ অন্যান্য সামগ্রী গুদামজাত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেগুলো বিভিন্ন নামীদামি কোম্পানির প্যাকেটে...
অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর পান্থপথে ব্যবহৃত সার্জিক্যাল মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস গুদামজাত করায় এএসএম ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিপুল পরিমাণ নকল হ্যান্ড গ্লাভস ও গাউন জব্দসহ গোডাউনটি সিলগালা করা হয়।
র্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত কলাবাগানের ১৫২/২ গ্রিন রোড এলাকায় গতকাল সোমবার এ অভিযান চালায়। অভিযান পরিচালনা করেন র্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বসু। মঙ্গলবার র্যাব-২ এর মিডিয়া কর্মকর্তা পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন ফারুকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির দুটি গোডাইনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রচুর পরিমাণ ব্যবহৃত সার্জিক্যাল মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভসসহ অন্যান্য সামগ্রী গুদামজাত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেগুলো বিভিন্ন নামীদামি কোম্পানির প্যাকেটে বাজারজাত করা করা হতো।
ট্রেডিং কোম্পানির মালিকের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, এগুলো চায়না থেকে আমদানি করা। তবে এসব সার্জিক্যাল আইটেমসহ হ্যান্ড গ্লাভসগুলো আমদানির ড্রাগ অ্যাসোসিয়েশনের অনুমোদনপত্র কোনোটিই তিনি দেখাতে পারেননি। এগুলো মজুত করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়কে প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করা হতো। যেমন কমফিট গ্লাভস, ফ্লেক্সফিট গ্লাভস, ভিনাইল গ্লাভস, এম কেয়ার গ্লাভস ইত্যাদি।
এ ধরনের কোম্পানির ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র বা অনুমোদনপত্র নেই জানিয়ে তিনি বলেন, এএসএম ট্রেডিংয়ের কর্তৃপক্ষ অর্ডারের মাধ্যমে এই প্যাকেটগুলো প্রিন্ট করে নেন। আর প্যাকেটের গায়ে কোনো বাজার মূল্য না থাকায় ইচ্ছামত বিক্রয় মূল্য বসিয়ে বেশি দামে বাজারে বিক্রি করতেন।
অভিযানের সঙ্গে থাকা ড্রাগ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি মো. নিহান জানান, এই হ্যান্ড গ্লাভস ও অন্যান্য সার্জিক্যাল আইটেম অস্বাস্থ্যকর। এগুলো ঠিকমত মজুদ করা হয়নি।