অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নের নানুপুর বাজার এলাকার মাজার গেইটে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানায়।নিহত রাশেদ কামাল (৩৮) ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুর রব্বানীর ছেলে। তিনি নানুপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।ফটিকছড়ি থানার ওসি বাবুল আক্তার জানান, দুর্বৃত্তরা বাজারে রাশেদ কামালকে অতর্কিতে গুলি করে। এরপর কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। রাশেদকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নাজিরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি। চাঞ্চল্যকর এ খুনের ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, প্রথমে...
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নের নানুপুর বাজার এলাকার মাজার গেইটে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানায়।নিহত রাশেদ কামাল (৩৮) ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুর রব্বানীর ছেলে। তিনি নানুপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।ফটিকছড়ি থানার ওসি বাবুল আক্তার জানান, দুর্বৃত্তরা বাজারে রাশেদ কামালকে অতর্কিতে গুলি করে। এরপর কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়।
রাশেদকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নাজিরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।
চাঞ্চল্যকর এ খুনের ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রথমে তাকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে যান তিনি। এ সময় তাকে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। এভাবে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে খুনিচক্রের সদস্যরা চলে যায়।
নিহত রাশেদ কামালের নামে থানায় দাঙ্গাহাঙ্গামা, ইয়াবা ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। ইতোপুর্বে একাধিকবার গ্রেফতার হয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
এর আগে ঈদের দিন নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ফটিকছড়ির খিরামে ইউপি সদস্য আবদুল জব্বারকে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আওয়ামী লীগের বিরোধে ওই খুনের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।