২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
বরিশালে হাতপাখার পক্ষে প্রচারণায় ঝড় তুলেছেন নারী কর্মীরা পবিপ্রবির হলে রুম না পেয়ে প্রভোস্ট অফিসে শিক্ষার্থীদের তালা বিএনপি ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান পাথরঘাটায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণায় নারী হেনস্থার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মানিকছড়িতে যুবককে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা: দুই আসামি গ্রেফতার ফটিকছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২ সন্ত্রাসী আটক ‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে গৌরনদীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক সন্দেহে মা’র’ধ’র, আহত-৬

করোনায় আক্রান্ত ফটোসাংবাদিক: কালের কণ্ঠ দুটি ইউনিট লকডাউন

আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্কঃ দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার এক ফটোসাংবাদিকের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআরের হটলাইনে ফোন কলের পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর পরীক্ষার ফলাফলে কভিড-১৯ পজেটিভ আসে।

বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ ওই কর্মী যে ইউনিটে কাজ করেন সেই পুরো ইউনিট রবিবার সকালে লকডাউন করে।

একই সঙ্গে ওই কর্মী সর্বশেষ কর্মস্থলে উপস্থিতির দিনে আরেক ইউনিটের সহকর্মীদের সংস্পর্শে থাকায় ওই ইউনিটও লকডাউন করা হয়েছে। কালের কণ্ঠ সূত্র জানায়, আগে থেকেই ওই দুই ইউনিট আলাদাভাবে সংরক্ষিত কক্ষে পরিচালিত হয়ে আসছে। পাশাপাশি ওই দুই ইউনিটসহ পুরো অফিস জীবানুনাশক দিয়ে জীবানুমুক্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ওই দুটি ইউনিটের সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক তার খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

আক্রান্ত ওই কর্মী রোগতত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআরের পর্যবেক্ষণে নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। উপসর্গ ও পরিস্থিতি অনুসারে তাকে প্রয়োজন মতো হাসপাতালে নেওয়া হবে বলেও আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তার সংস্পর্শে থাকা অন্যদেরও রবিবার পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ। কাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভার ক্লিনিকে সংশ্লিষ্টরা নমুনা পরীক্ষা করাবেন।

আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মীরজাদী সেব্রিনা গণমাধ্যমকে বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে কেউ আক্রান্ত বলে শনাক্ত হলে তিনি যদি কোনো আলাদা কক্ষে থেকে থাকেন তবে সেই কক্ষ এবং তিনি যেখানে বা যাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন সেই অংশটুকু সাময়িক বন্ধ করে তা জীবানুনাশক দিয়ে ভালোভাবে জীবানুমুক্ত করলেই চলে। পুরো প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা লকডাউনের প্রয়োজন নেই। যদি বেশি সংখ্যকের সংক্রমণ ধরা পড়ে তবে পুরো বা নিশ্চিত হওয়া যায় যে আক্রান্তরা কোনো স্থাপানের বেশিরভাগ অংশের সংস্পর্শে ছিলেন তবে পুরো ফ্লোর বা স্থাপনা জীবানুমুক্ত করার প্রয়োজন পড়ে এবং সবার কোয়ারেন্টিনের প্রশ্ন আসে।কালের কণ্ঠ প্রশাসনিক বিভাগ সূত্র জানায়, ওই ফটোসাংবাদিক আগেও এক দফা মৃদু উপসর্গ নিয়ে ১৯ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। পরে গত মঙ্গলবার তিনি কিছু সময়ের জন্য কর্মস্থলে আসেন। তখন তিনি শরীরে জ্বর অনুভব করলে অফিস কর্তৃপক্ষ তাকে দ্রুত বাসায় পাঠিয়ে দেন। তার দুদিন পর তিনি পরীক্ষা করানোর পর তার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network