২৮শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে সহস্রাধিক চাকমা নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান বরিশালে হাতপাখার পক্ষে প্রচারণায় ঝড় তুলেছেন নারী কর্মীরা পবিপ্রবির হলে রুম না পেয়ে প্রভোস্ট অফিসে শিক্ষার্থীদের তালা বিএনপি ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান পাথরঘাটায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণায় নারী হেনস্থার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মানিকছড়িতে যুবককে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা: দুই আসামি গ্রেফতার ফটিকছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২ সন্ত্রাসী আটক ‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে

প্রকাশিত সংবাদ এর ভিন্ন মত

আপডেট: নভেম্বর ২৭, ২০২২

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

প্রকাশিত সংবাদ এর ভিন্ন মত,

“একযুগেরও বেশি খোঁজ মেলেনি অপহৃত হুমায়ুন কবিরের” শিরোনামে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বরিশাল টাইমসে উদ্ধৃত দিয়ে যে খবরটি বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ভিত্তিহীন এবং ষড়যন্ত্র। মূলত,
কথিত হুমায়ুন খান ছিলো তথাকথিত পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির আঞ্চলিক কমান্ডার। এটাকে পূঁজি করে মানুষ গুম করে চাঁদাবাজি করা, খুন করাই ছিলো তার একমাত্র নেশা ও পেশা। তার হাতে নিহত হয় জল্লা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অবনি বাড়ৈ, ক্ষিতিশ মন্ডল, শামীম শিকদার, বাদল, প্রমূখ সর্বহারা কমান্ডাররা। এছাড়া তার হাতে পঙ্গু হয় জলিল খা সহ অনেক সর্বহারা সদস্য। সর্বহারা পার্টির সদস্যরা যখন ১৯৯২ সালে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে তখন হুমায়ুন খান তার কাছে রক্ষিত অস্ত্র গুলী জমা না দিয়ে তার একটি ভাগ তার ছোট ভাই মঞ্জু খানের কাছে রেখে, বাকী অস্ত্র নিয়ে ঢাকায় উঠে বিভিন্ন জায়গার প্রভাবশালীদের সাথে নিয়ে ওই অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নামে বেনামে ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে অনেক সম্পত্তির মালিক বনে যায়। এ ঘটনায় তাকে অনেক জায়গা থেকে ধাওয়া খেয়ে পলাতক থাকতে হয়েছে অনেক দিন। এরই এক পর্যায়ে কোন এক রাতে তারা মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে এলাকার সব মানুষ জড়ো করে বলে যে, আমার ভাইকে র‍্যাবে ধরেছে। তাকে ক্রস দেওয়ার জন্য এলাকায় নিয়ে আসতেছে। আপনারা রাস্তায় থাকলে ক্রস দিতে পারবেনা। এরপর নিখোঁজ হুমায়ুনকে খুন করা হয়েছে এই মর্মে বিভিন্ন জায়গায় হত্যা মামলা করে, ভূয়া ডিবি সেজে অনেককে মামলার থেকে অব্যহতি দেবে এই মর্মে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মঞ্জু খান চক্র। উল্লেখ্য, মঞ্জুর কাছে রক্ষিত অস্ত্র দিয়ে সে তার নিজস্ব একটি গ্রুপ তৈরি করে যথারীতি বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি করে এবং করায়। এছাড়াও সে উজিরপুর উপজেলার পশ্চিম অঞ্চলীয় ৬ টি ইউনিয়নে মাদকের চালান দেয়। এসমস্ত মাদক নিয়ে সে পুলিশের কাছে একাধিক বার ধরা খেয়েছে। তার অনেক পার্টনার এখনও জেলে আছে। ওদিকে তারা কখন আওয়ামী লীগ, আবার কখনও বি এন পি কখনও ওয়াকার্স পাটি, কিছুদিন আগে আওয়ামী লীগে যোগদিতে অনেক চেষ্টা করেও দক্ষিণ বঙ্গের অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসান আব্দুল্লাহ জন্য সেটা করতে পারেনি। সংবাদের শিরোনামটি দেখে মনে হচ্ছে হুমায়ুনকে ঘিরে তার ভাই মঞ্জু আর এক দফা ব্যবসায় নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যতগুলি মামলা নির্দোষ ব্যক্তিদের ঘিরে করেছে, তা কোনও সংস্থার কাছে প্রমাণিত না হওয়ায় খারিজ হয়ে গেছে।
কোন এক প্রভাবশালী লোকের ছত্র ছায়ায় ২ বারের ইউপি চেয়ারম্যান এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনপ্রিয় হাফিজুর রহমান ইকবালকে হেনস্থা করার জন্য বার বার এ চেষ্টা করতে দেখা গেছে। বিষয়টি সর্বমহলের দৃষ্টি আর্কষন করার অনুরোধ রইল।
উল্লেখ্য যে, ইউপি চেয়ারম্যান নান্টু হালদার হত্যা মামলার আসামী হুমায়ুনের ছোট ভাই মঞ্জু খান। হুমায়ুনের এক ভাই মনির খান সে ইউনিয়ন বি এন পি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট। অপর এক ভাই পনির খান যুবদল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। আর এক ভাই নারী কেলেঙ্কারি মামলা মাথায় নিয়ে বিদেশ পলাতক।

নিবেদক
উজিরপুরবাসী

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network