শিরোনাম
গারুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিন শিকদারের শোডাউন ও গণসংযোগ মোংলা বন্দর জেটি ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, ২৫ যাত্রী আহত আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বরিশাল মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ মাদারীপুরে স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ গাজীপুরে গভীর রাতে আগুনে মসজিদসহ ২০ দোকান পুড়ে ছাই ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করতে অর্থের যোগানদাতা আ‍‍`লীগ নেতা এখন বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী বাকেরগঞ্জে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা চীনে চিকিৎসাধীন জীবননগরের সাংবাদিক চাষি রমজান, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

ইসরাইল-ফিলিস্তিন: ১১ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতে কার কত ক্ষয়ক্ষতি?

আপডেট: May 21, 2021

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ ডেস্ক:: ১১ দিনের যুদ্ধে প্রায় আড়াইশ’ প্রাণক্ষয়ের পর মিসরের মধ্যস্থতায় সংঘাত অবসানে রাজি হয়েছে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন।উভয় পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এসেছে।  শুক্রবার থেকে এটি কার্যকর হয়েছে।  খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে এবারের সহিংসতায় ২৪৪ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গাজা ও পশ্চিমতীরে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০০ জনের বেশি নারী ও শিশু।  নিষ্পাপ ৬৫ শিশুকে হত্যা করেছে তারা।  আহত হয়েছে এক হাজার ৭০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি।

ইসরাইলের দাবি, গাজায় তাদের হামলায় কমপক্ষে ১৫০ জন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে।  অবশ্য ইসরাইলি হামলায় সংগঠনের সদস্যদের প্রাণহানির বিষয়ে হামাস কোনো তথ্য দেয়নি। ইসরাইলের ভাষ্য, সংঘাতে গাজা থেকে প্রায় চার হাজার রকেট ছোড়া হয়েছে।  রকেটে দুই শিশুসহ অন্তত ১২ ইসরাইলি নিহত হয়েছে। আর আহত হয়েছে অন্তত ৩৩০ জন।

সংঘাতে ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষ ননিজেদের জয় দাবি করেছে।  যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরই গাজার রাস্তায় নেমে আসেন ফিলিস্তিনিরা।  তারা স্বস্তি ও উল্লাস প্রকাশ করেন।

ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে এবারের সংঘাতকে বলা হচ্ছে ২০১৪ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত। ২০১৪ সালের ওই সংঘাতে দুই হাজার ২৫১ ফিলিস্তিনি নিহত হন। ইসরাইলের পক্ষে প্রাণহানি ছিল ৭৪, যাদের অধিকাংশই সেনাসদস্য।সম্প্রতি ইসরায়েল ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে আল জাররাহ এলাকা দখলে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালায়। এ নিয়ে সেখানকার ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের মধ্যে থেমে থেমে উত্তেজনা চলে আসছিল।  গত ৭ মে জুমাতুল বিদা আদায় করতে বিপুল মুসল্লি আল-আকসা মসজিদে সমবেত হলে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর চড়াও হয়।  মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ইসরায়েলি বাহিনী।

এর দুদিন পর শবেকদরেও আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষ হয়।  এর প্রতিবাদে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়।  পরে গত ১০ মে থেকে গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল।  হামাসও পাল্টা জবাব দিতে থাকে।  ১১ দিন টানা ঘাত-প্রতিঘাতের পর যুদ্ধবিরতিতে পেৌছল দুপক্ষ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network