আপডেট: June 28, 2023
চার যমজ কন্যা শিশুর বাড়িতে সপরিবারে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের দরিদ্র দম্পতি মাহবুল-কল্পনার ঘরে আসা চার যমজ কন্যা সন্তানের কথা আমাদের অনেকেরই মনে আছে। দেখতে দেখতে তাদের বয়স ইতোমধ্যে দেড়মাস পার হয়ে গেছে, সকলেই আছে সুস্থ। জন্মের পরদিনই চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় একটি ক্লিনিকে তাদের দেখতে যান চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। ওই চার যমজ কন্যার পিতামাতার ইচ্ছানুযায়ী তাদের দোয়েল, কোয়েল, ময়না, টিয়া নামও তিনিই রাখেন। এছাড়া তাদের বড় নাম এবং জন্মের পাঁচদিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন ও করে দেন। নিয়মিত রাখেন তাদের খোঁজখবর। সেই ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বুধবার (২৮ জুন) দুপুরে ঈদ উপহার নিয়ে সপরিবারে চার যমজ কন্যা শিশুর বাড়ি দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে উপস্থিত হন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। এসময় জেলা প্রশাসক পত্নী মেহনাজ খান বাঁধন, তাদের দুই সন্তান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসকের সহধর্মিণী পরিবারটির প্রত্যেকের হাতে ঈদের পোষাক, ফলমূল, মিষ্টি ও বাচ্চাদের ঈদের সালামি তুলে দেন। এ সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক পরিবারটিকে জীবিকার সুবিধার্থে একটি ফল বাগান করার যোগ্য জমি ক্রয় করে দেয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, গত ৯ই মে ২০২৩ খ্রি. তারিখে চুয়াডাঙ্গার একটি স্থানীয় ক্লিনিকে মাহবুল-কল্পনার ঘর আলো করে জন্মগ্রহণ করেন চার যমজ কন্যা। বিষয়টি ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।
প্রতিবেদক: এম.এ.আর.নয়ন।

