বরিশাল প্রতিনিধি: বাবা-মা প্রথমেই বুঝতে পেরেছিল সন্তান বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাই তাকে ভর্তি করা হয়নি কোনো বিদ্যালয়ে। বাসায় বসেই দেয়া হয়েছে হাতেখড়ি। তবে বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সাহাপাড়া এলাকায় অটিজম সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পরিচালনায় অটিজম স্কুল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তাদের সন্তান তন্ময় কর্মকারকে ভর্তি করা হয় সেখানে। এখন তন্ময় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। তন্ময়ের হাতে তুলে দেয়া হয় বই। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিনামূল্যে দেয়া বই হাতে পেয়ে বেজায় খুশি তন্ময়। তার ইচ্ছা সে বড় হয়ে ডাক্তার হবে। কেবল তন্ময়ই নয়, রোববার ভাটিখানা সাহাপাড়া এলাকার অটিজম স্কুলের ১৩২ জন শিক্ষার্থী পেয়েছে বিনামূল্যের বই। রোববার সকালে তাদের হাতে বই তুলে দেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি অরুণ...
বরিশাল প্রতিনিধি: বাবা-মা প্রথমেই বুঝতে পেরেছিল সন্তান বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাই তাকে ভর্তি করা হয়নি কোনো বিদ্যালয়ে। বাসায় বসেই দেয়া হয়েছে হাতেখড়ি।
তবে বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সাহাপাড়া এলাকায় অটিজম সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পরিচালনায় অটিজম স্কুল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তাদের সন্তান তন্ময় কর্মকারকে ভর্তি করা হয় সেখানে। এখন তন্ময় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। তন্ময়ের হাতে তুলে দেয়া হয় বই। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিনামূল্যে দেয়া বই হাতে পেয়ে বেজায় খুশি তন্ময়। তার ইচ্ছা সে বড় হয়ে ডাক্তার হবে।
কেবল তন্ময়ই নয়, রোববার ভাটিখানা সাহাপাড়া এলাকার অটিজম স্কুলের ১৩২ জন শিক্ষার্থী পেয়েছে বিনামূল্যের বই। রোববার সকালে তাদের হাতে বই তুলে দেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি অরুণ কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক একেএম আমিনুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জীবন কৃষ্ণ সাহা ও আবু তালহা রিমন।
অটিজম স্কুলের প্রধান শিক্ষক জীবন কৃষ্ণ সাহা জানান, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ২০১৮ সালে ভাটিখানা এলাকার সাহাপাড়া অটিজম স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখন তার বিদ্যালয় মোট ১৩২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের সবাই প্রতিবন্ধী। এদের মধ্যে কেউ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কেউ শারীরিক প্রতিবন্ধী। সব শিক্ষার্থীর হাতেই বিনামূল্যের বই তুলে দেওয়া হয়েছে।