আপডেট: July 1, 2023
ভোলা প্রতিনিধি:: বিয়েবাড়ির গেটে বর যাত্রীদের কাছে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা, সংর্ঘষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কনে, কনের বাবা, বরের বাবাসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। পণ্ড হয়েছে কনের বাড়ির অনুষ্ঠান। ভোলা সদর হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি আছে দুই পক্ষের ৯ জন।
শুক্রবার (৩০ জুন) দুপুরে ভোলার সদর উপজেলার জামিরালতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কনেপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোলা শহরের মুসলিম পাড়া এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে শরিফের সঙ্গে পাশের জামিরালতা এলাকার হারুন মিয়ার মেয়ে নুপুরের দুই মাস আগে বিয়ে হয়। বরকে বরণ করতে এবং কনেকে শ্বশুর বাড়িতে পাঠাতে শুক্রবার দুপুরে কনের বাড়িতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।ওই অনুষ্ঠানে বরকে অভ্যর্থনা জানাতে গেটে লাল ফিতা কেটে বরসহ অতিথিদের ভেতরে প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা করা হয়।
কিন্তু গেটে কনেপক্ষ বরের কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাইলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং হট্টগোল বাধে। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারধর ও সংর্ঘষ হয়। এ সময় বিয়েবাড়ির চেয়ার-টেবিল ও অন্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য রাখা দুপুরের খাবারও নষ্ট করা হয়।
সংঘর্ষে কনে নুপুর, কনের বাবা হারুন, বরের বাবা জাকিরসহ দুই পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। এদের মধ্যে কনেসহ গুরুতর আহত ৯ জনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কনের বোন বলেন, ‘বিয়েবাড়িতে সচারাচর গেটে বরের কাছে কনেপক্ষের ছোট সদস্যরা টাকা চায়। এটি কেউ দেয়, আবার কেউ দেয় না। এখন এমন সামান্য বিষয় নিয়ে বরপক্ষ যে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছে সেটি কারোরই কাম্য ছিল না।
বরপক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে ককটেল ফাটিয়ে দুই দফা হামলা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে।’
অন্যদিকে বরেক্ষের দাবি, কনেপক্ষ প্রথমে তাদের গায়ে হাত দিয়েছে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন ফকির জানান, বিয়েবাড়িতে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি।

