আপডেট: জুন ১১, ২০২৬
পিরোজপুর প্রতিনিধি:: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুই হাত ও পায়ে ৩০টি আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুটি মারা গেছে। জন্মগতভাবে তার জিহ্বাও ছিল না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের নিজ বাড়িতে শিশুটি মারা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মনির খান। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে জন্মের পরপরই মঠবাড়িয়ার ড্রিম অ্যান্ড হেলথ কেয়ার হাসপাতালে শিশুটিকে দেখতে ভিড় করেন স্বজন ও কৌতূহলী মানুষ।
জানা গেছে, সাধারণ শিশুর মতো ২০টি নয়, তার হাতে ১৬টি এবং পায়ে ১৪টি মিলিয়ে মোট ৩০টি আঙুল রয়েছে।
শিশুটির বাবা ইসমাইল পালোহন উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। জেসমিন আক্তারের পঞ্চম সন্তান এটি। পরিবারের অন্য সন্তানরা স্বাভাবিক হলেও নবজাতকটির শারীরিক গঠন দেখে হতবাক স্বজনরা। কিন্তু মা আর চারটি সন্তানের মতো আপন করে শিশুটিকে নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন।এ ব্যাপারে নবজাতক ও শিশু চিকিৎসক ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অতিরিক্ত আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়ার এ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘পলিড্যাকটিলিজম’ বলা হয়। তবে শিশুটির জিহ্বা না থাকা একটি বিরল জন্মগত ত্রুটি, যা নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

