২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে গৌরনদীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক সন্দেহে মা’র’ধ’র, আহত-৬ বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ছেড়ে ৩০০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জের প্রান্তিক ভোটাররা ঝুঁকছেন দাঁড়িপাল্লার দিকে বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা: ডা. শফিকুর রহমান গৌরনদী বার্থী ইউনিয়নে জহির উদ্দিন স্বপনের ব্যাপক গণসংযোগ বাকেরগঞ্জের ইউএনও, সার্কেল এএসপি ও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহারের দাবি

ঢাকায় শতাধিক স্থানে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস

আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে রাজধানীর নতুন নতুন জায়গা। পাশাপাশি পুরোনো হটস্পটগুলোতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আইইডিসিআর বলছে, সামাজিক দূরত্ব এবং লকডাউনের বিধি নিষেধ না মানায়, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে না। নতুন জায়গায় ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বন্ধে, ব্যাপক ভিত্তিতে পরীক্ষা করানোর প্রস্তাব বিশেষজ্ঞদের।

ঢাকার প্রথম লকডাউন হয়েছিলো মিরপুরের টোলারবাগ। ২১ ও ২২শে মার্চ দুদিনে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে মারা যান টোলারবাগের দুই বাসিন্দা। এরপরই আরেক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বাসাবোকে চিহ্নিত করে আইইডিসিআর।

আইইডিসিআর প্রিন্সিপ্যাল সায়েন্টিফিক অফিসার ড. এ এস এম আলমগীর বলেন, মিরপুরের টোলারবাগে যখন কিছু করোনা রোগী পাওয়া যাচ্ছিল এবং একজন মারা গেল। পরে একই এলাকার আরেকজনও মারা যায়। এদের সূত্র হিসেবে আমরা দেখেছি যে তারা সামাজিন দূরত্ব না মেনে একই মসজিদে নামাজ পড়েছে। এতে অনেকেই আক্রান্ত হয়েছে।

দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ চিহ্নিত হয় ৮ই মার্চ। ৩৮তম দিনে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায়। রাজধানীতেই বেশি। নগরে এ পর্যন্ত শতাধিক এলাকায় ভাইরাসটি ছড়িয়ে গেছে। তবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি এলাকা। শুরুতে হটস্পট ছিলো টোলারবাগ।  এরপর বাসাবো, আবার টোলারবাগ। তবে ১৪ই মার্চ আক্রান্তের সংখ্যায় ওপরে উঠে যায় ওয়ারি। এখনও ঐ এলাকাতে সংক্রমণ বাড়ছে। কিন্তু ১৮ই এপ্রিল মোহাম্মদপুরে সবচেয়ে বেশি মানুষ কোভিড নাইন্টিন পজিটিভ হয়। আর, ২১শে মার্চ থেকে এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যায় সবার উপরে আছে রাজারবাগ। যদিও প্রত্যেক এলাকাতেই তীব্র হচ্ছে সংক্রমণের হার।

আইইডিসিআর উপদেষ্টা ড. মোস্তাক হোসেন বলেন, ক্লাস্টারের বাইরে গিয়েও আমাদের ডাক্তারদের উচিত হবে পাড়া,মহল্লা এবং বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা। অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে করোনা সংক্রমণ আছে কি না তাও পরীক্ষা করবে।

দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি বহাল থাকলেও, সংক্রমণ বাড়ছে প্রতিদিন। শুক্রবার পর্যন্ত মোট সংক্রমিতদের ৫১ শতাংশই ঢাকা শহরে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network