২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে গৌরনদীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক সন্দেহে মা’র’ধ’র, আহত-৬ বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ছেড়ে ৩০০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জের প্রান্তিক ভোটাররা ঝুঁকছেন দাঁড়িপাল্লার দিকে বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা: ডা. শফিকুর রহমান গৌরনদী বার্থী ইউনিয়নে জহির উদ্দিন স্বপনের ব্যাপক গণসংযোগ বাকেরগঞ্জের ইউএনও, সার্কেল এএসপি ও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহারের দাবি

ইবাদত-বন্দেগিতে দেশজুড়ে লাইলাতুল কদর পালিত

আপডেট: মে ১০, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ ডেস্ক: রোববার দিবাগত রাতে দেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হয়েছে। নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হয় মহিমান্বিত এই রজনি। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাতও করেছেন।

মাহে রমজানের এ রাতেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। তাই এ রাত সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কাছে এক পুণ্যময় ও মহিমান্বিত রাত হিসেবে বিবেচিত। ইসলাম ধর্মে এ রাতের ইবাদতকে বিশেষ তাৎপর্যময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

‘শবে কদর’ হলো একটি ফারসি শব্দ। যার অর্থ মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনি। রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের যে কোনো বেজোড় রাতে হতে পারে শবে কদর। এ রাতকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর সন্ধান করো’ (মুসলিম)।

কদরের রাতে মানবজাতির ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তাই লাইলাতুল কদরের রাতটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অনেক ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময়। পবিত্র কোরআনে এ রাতকে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত ঘোষণা করেছেন মহান আল্লাহ। এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘কদর’ নামে একটি সুরাও নাজিল হয়।

নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দরুদ পাঠের মধ্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত বন্দেগি করেন। নিজেদের গুনাহ মাফ, বরকত কামনাসহ দেশ ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধ লাভে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনায় চোখের পানি ফেলেন মুমিন বান্দারা।

রোববার রাতে তারাবির নামাজের পরেই মুসল্লিরা কদরের নফল ইবাদত শুরু করেন। রাতভর ইবাদত করেন মুসল্লিরা। এ রাতে গভীর আবেগে আপ্লুত হয় প্রত্যেকটি মুমিনের হৃদয়। মহান রজনীতে মহান আল্লাহর করুণা লাভের আশায় ব্যাকুল হয়ে ওঠে সব মুমিন মুসলমানের হৃদয়।

মুসল্লিরা জানান, লাইলাতুল কদর হাজার রাতের চেয়েও শ্রেষ্ঠ, তাই আল্লাহর কাছে মোনাজাত করে দোয়া করেছেন তাঁরা। বেশি বেশি ইবাদত বন্দেগি, নামাজ আদায় ও কোরআন তেলাওয়াত করেছেন। সেইসঙ্গে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেহরির সময় একটু বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করে অনেকেই দোয়া করেছেন, আল্লাহ যেন আমাদের সব পাপ মুছে দেন এবং আল্লাহ যেন এই করোনা ভাইরাস থেকে আমাদের মুক্তি দেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network