আপডেট: January 16, 2021
করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দিতে প্রশিক্ষণের জন্য আন্তরিক ও দায়িত্ববান স্বাস্থ্যকর্মীদের বাছাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমে গঠিত জেলা কমিটির উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম।
তিনি বলেন, আমেরিকা-ইউরোপে করোনা ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়েছে। আমরাও কিন্তু শুরু করছি। কল্পনাও করিনি সমৃদ্ধ দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারব। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করতে পারব।
শনিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য গঠিত জেলা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণার দরকার। বিশ্বের বড় বড় দেশের রাষ্ট্রপতিরা ভ্যাকসিন নিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করছেন। সারাবিশ্বে করোনা ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে নেগেটিভ সংবাদ না করারও অনুরোধ জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, আমি দেখেছি বরিশালে করোনা সংক্রমণের শুরুতে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের অনেক ডাক্তার রোগীদের সেবা দেননি। তারা ভয় পেয়েছেন। এমনও শুনেছি হাসপাতালের কর্মচারীরা রোগীদের কাছে খাবার পৌঁছে দেননি। গেটের বাইরে খাবার রেখে আসতেন। আবার এমন ডাক্তারও দেখেছি যারা দিনরাত কাজ করেছেন। সুতরাং জনগণের অধিকার রক্ষায় দায়িত্ববান মানুষ পছন্দ করতে হবে। আমি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি অনুরোধ রাখব, ভ্যাকসিন দেয়ার সময় যেন তারা বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেন।জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করে বলেন, প্রথম ধাপে বরিশাল জেলার জন্য ৫০ হাজার ভ্যাকসিনের চাহিদা পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ৬ লাখ ভ্যাকসিন এবং উপজেলা পর্যায়ে এক থেকে দুই লাখ ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা যাবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শহীদুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রাজিব আহমেদ, উপজেলা (সদর) নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডা. মু. জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

