ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা, দশমিনায় তিনজনের কারাদণ্ড

আপডেট: October 8, 2026

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

দশমিনা প্রতিনিধি:: ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরুর প্রথম রাতেই পটুয়াখালীর দশমিনায় তিনজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তবে সাজাপ্রাপ্ত তিনজন ইলিশ শিকারে যাচ্ছিলেন না। তারা হাতে টানা তিনটি মইয়া জাল নিয়ে ট্রলার যোগে তেঁতুলিয়া নদী পাড়ি দিয়ে চরহাদী এলাকায় নদীর পাড়ে চিংড়ি মাছ ধরতে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

গতকাল বুধবার দিবাগতরাত ২টার দিকে উপজেলার চরহাদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিরুদ্ধে ওই দণ্ডাদেশ দেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি হাতে টানা মইয়া জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মৃত আ. রহিম হাওলাদারের ছেলে হাবিব হাওলাদার (৫৫), মৃত কাঞ্চন আলীর ছেলে মাহাবুব (৫২) ও মৃত আহাম্মদ হাওলাদারের ছেলে খোকন হাওলাদার (৪৫)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা আমাদের সময়কে বলেন, সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে কোনো ধরনের মাছ ধরা, বহন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সাজাপ্রাপ্তরা নদীতে মাছ ধরার সরঞ্জামসহ অবস্থান করায় তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে দশমিনা উপজেলার নদ-নদীতে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে মাছ ধরার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে উপজেলা মৎস্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় চলতি বছরের ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network