এম, লোকমান হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ১নং ওয়ার্ড আলীগাঁ গ্রামের বাসিন্দা রাবেয়া বেগম (২৭) স্বামী সন্তান ও ২ ভাই বোন নিয়ে হোসেন মাঝি বাড়িতে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করছেন। তিনি বলেন, আমার মা সুফিয়া বেগমের মৃত্যুর পরে পিতা আবুল কাসেম দ্বিতীয় বিয়ে করে শ্বশুরালয়ে বসবাস করেন। কোনদিন আমাদের কোন খোজ খবর নেয়নি আমরা বেঁচে আছি না মরে গিয়েছি। এরপর দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত শহরে গিয়ে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে কাজ করি এবং পরবর্তীতে গার্মেন্টসে কাজ করে ছোট ভাই বোন নিয়ে জীবন কাটাই। ছোট বোনের বিয়ে দেই এবং ছোট ভাইকেও পড়া লেখা করাচ্ছি। বর্তমানে আমার স্বামী,সন্তান ও ছোট ভাই বোন...
এম, লোকমান হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ১নং ওয়ার্ড আলীগাঁ গ্রামের বাসিন্দা রাবেয়া বেগম (২৭) স্বামী সন্তান ও ২ ভাই বোন নিয়ে হোসেন মাঝি বাড়িতে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করছেন।
তিনি বলেন, আমার মা সুফিয়া বেগমের মৃত্যুর পরে পিতা আবুল কাসেম দ্বিতীয় বিয়ে করে শ্বশুরালয়ে বসবাস করেন। কোনদিন আমাদের কোন খোজ খবর নেয়নি আমরা বেঁচে আছি না মরে গিয়েছি।
এরপর দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত শহরে গিয়ে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে কাজ করি এবং পরবর্তীতে গার্মেন্টসে কাজ করে ছোট ভাই বোন নিয়ে জীবন কাটাই। ছোট বোনের বিয়ে দেই এবং ছোট ভাইকেও পড়া লেখা করাচ্ছি।
বর্তমানে আমার স্বামী,সন্তান ও ছোট ভাই বোন নিয়ে অন্যের ঘরে আশ্রিত আছি। এখানে আমাদের ১০ শতাংশেরও কিছু বেশি জমি আছে কিন্তু থাকার কোন ঘর নেই। প্রশাসনের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন তারা যেন আমাদের অসহায় পরিবারটির প্রতি একটু দৃষ্টি দেন।
এ বিষয়ে স্থানিয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. শিরাজুল ইসলাম জানান, অসহায় রাবেয়া বেগম আমাকে বিষয়টি জানালে আমি তাকে আস্বস্ত করেছি। এবং তদন্ত সাপেক্ষে তাদের যদি ১০ শতাংশ জমি থাকে তাহলে আমরা মাননিয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার একটি ঘর তাদের দিব। বিষয়টি নিয়ে আমরা উর্ধ্বোতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাংবাদিককে জানান, জমির দলিলাদি নিয়ে আবেদন করলে উপজেলা প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।