ভোলায় প্রথম ধানের চারা রোপণে অত্যাধুনিক রাইস ট্রান্সপ্লান্ট
আপডেট: January 24, 2022
ফেইসবুক শেয়ার করুন
ভোলায় প্রথম ধানের চারা রোপণে অত্যাধুনিক রাইস ট্রান্সপ্লান্ট
আপডেট:
Photo Card
Preview
ভোলায় প্রথম ধানের চারা রোপণে অত্যাধুনিক রাইস ট্রান্সপ্লান্ট
ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় অত্যাধুনিক রাইস ট্রান্সপ্লান্টের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নে অত্যাধুনিক রাইস ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রমের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে জেলা প্রশাসক নিজেই ধানের চারা রোপণ করেন। এ সময় বরিশাল বিভাগীয় কৃষি অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি উপপরিচালক হাসান ওয়ারিসুল করিম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন, ধনিয়া ইউপির চেয়ারম্যান এমদাদুল হক কবির প্রমুখ। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় এই প্রথম ধানের চারা রোপণে রাইস ট্রান্সপ্লান্ট অর্থাৎ যন্ত্রের মাধ্যমে চারা রোপণ শুরু হয়েছে। ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতলি...
ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় অত্যাধুনিক রাইস ট্রান্সপ্লান্টের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নে অত্যাধুনিক রাইস ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রমের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে জেলা প্রশাসক নিজেই ধানের চারা রোপণ করেন।
এ সময় বরিশাল বিভাগীয় কৃষি অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি উপপরিচালক হাসান ওয়ারিসুল করিম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন, ধনিয়া ইউপির চেয়ারম্যান এমদাদুল হক কবির প্রমুখ।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় এই প্রথম ধানের চারা রোপণে রাইস ট্রান্সপ্লান্ট অর্থাৎ যন্ত্রের মাধ্যমে চারা রোপণ শুরু হয়েছে। ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতলি গ্রামের ১১০ জন কৃষক একত্র হয়ে সমবায় ভিত্তিতে সমলয় পদ্ধতিতে ৫০ একর জমিতে বোরো (হাইব্রিড দুর্বার) ধানের আবাদ করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষকদের কোনো খরচ লাগছে না। ধানবীজসহ সব খরচ কৃষি বিভাগ বহন করছে। কৃষি বিভাগের সার্বিক সহায়তায় কৃষকরা এই নতুন পদ্ধতিতে ধান চাষ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিলন চন্দ্র দে জানান, এই পদ্ধতিতে কৃষকের খরচ প্রায় অর্ধেক হবে। সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে একরপ্রতি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়, সেখানে এই পদ্ধতিতে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হবে।