শিরোনাম
কলসকাঠীতে আদর্শ যুব সমাজ গঠনে যুবকদের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে উজিরপুরে সিআরএসএসের উদ্যোগে মতবিনিময় বরিশালে স্ক্যান সিমেন্টের নতুন ডিপোর উদ্বোধন গৌরনদীতে সংবাদ প্রকাশের ‘দায়’ চাপিয়ে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় সাধারণ ডায়েরি বাকেরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও আগাম প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া বরিশালে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন মানবতাবিরোধী অপরাধ : ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড নাজিরপুরে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা আটক, গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল এলাকাবাসী

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টায় ১৪ জনের ফাঁসি

আপডেট: March 23, 2021

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখার ঘটনায় করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় ১৪ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।এর আগে গত ১১ মার্চ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

২০০০ সালের ২২ জুলাই কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে শেখ হাসিনার সমাবেশ করার কথা ছিল। ওই সমাবেশের প্যান্ডেল তৈরির সময় ২০ জুলাই কলেজের পাশ থেকে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় কোটালীপাড়া থানার এসআই নূর হোসেন বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দেন।

ওই বছরের ২ জুলাই আদালত মামলায় চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন। ৮৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগম এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টও ওই ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

এদিকে, ৭৬ কেজি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ওই সময় কোটালীপাড়া থানার এসআই নূর হোসেন বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আরেকটি মামলা করেন। ২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর সিআইডির তৎকালীন এএসপি আব্দুল কাহার আকন্দ এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। এরপর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network