শিরোনাম
জীবননগর থানা ও প্রেসক্লাবের মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র আপনাদের কলমের খোঁচায় যেন কারও ক্যারিয়ার-মানসম্মান নষ্ট না হয়: তথ্যমন্ত্রী তিন বছরে ৪০০-এর বেশি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১৭ নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৫২,অভিযান অব্যাহত পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন তারেক রহমান: তথ্যমন্ত্রী দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব রটানো হচ্ছে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ পুর ইউনিয়নে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া

ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা দিবস পালিত

আপডেট: November 14, 2021

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: আজ ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা দিবস। ২০০৫ সালের এই দিনে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) জঙ্গিদের আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন দুই বিচারক।

দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকরা। সকালে আদালত চত্বর থেকে একটি শোকযাত্রা বের করা হয়। শোকযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে নিহত বিচারকদের স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে নিহতদের স্মরণে জেলা ও দায়রা জজ, জেলা প্রশাসন ও জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য  অর্পণ করা হয়।

স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য তুলে দেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. এ কে এম এমদাদুল হক, জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী, জেলা ও দায়রা জজ মো. শহীদুল্লাহ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পারভেজ শাহরিয়ার ও অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি আ স ম মোস্তাফিজুর রহমান মনু। এ সময় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে আদালতের শহীদ সোহেল-জগন্নাথ মিলনায়তনে স্মরণসভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে সরকারি বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বিচারকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে হামলা চালায় জেএমবি। এতে  ঘটনাস্থলেই মারা যান বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ। আর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ে। আহত অবস্থায় ধরা পড়েন হামলাকারী জেএমবি সুইসাইড স্কোয়াড সদস্য ইফতেখার হাসান আল মামুন।

এরপর একে একে জেএমবির শীর্ষ নেতারা আটক হন। জঙ্গিদের ঝালকাঠিতে এনে তাদের উপস্থিতিতে জেলা জজ আদালতে চাঞ্চল্যকর এ মামলার বিচারকার্য চলে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহমেদ ২০০৬ সালের ২৯ মে সাতজনকে ফাঁসির আদেশ দেন। উচ্চ আদালতে সে রায় বহালের পর দেশের বিভিন্ন জেলখানায় ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ছয় শীর্ষ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এরা হলো জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সেকেন্ড ইন কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাই, সামরিক শাখা প্রধান আতাউর রহমান সানি, উত্তরাঞ্চলীয় সমন্বয়কারী আবদুল আউয়াল, দক্ষিণাঞ্চলীয় সমন্বয়কারী খালেদ সাইফুল্লাহ ও বোমা হামলাকারী ইফতেখার হাসান আল মামুন।

এদিকে ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবর আসাদুল ইসলাম আরিফের ফাঁসি কার্যকর করা হয় খুলনা কারাগারে। জঙ্গিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার কিছুদিন পর ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল রাতে গুলিতে নিহত হন এ হত্যা মামলা পরিচালনাকারী ঝালকাঠির পিপি অ্যাডভোকেট হায়দার হুসাইন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network