৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

ইয়াবাসহ কারারক্ষী ও তার সহযোগী গ্রেফতার

আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোটরসাইকেলে ঘুরে ঘুরে বরিশাল শহরের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা পৌঁছে দিত তারা। কিন্তু বিধি বাম। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে সরকারি ব্রজমোহন কলেজের প্রথম গেটের বিপরীতে মল্লিক প্লাজার সামনে ধরা পড়ে চক্রটি।

গোয়েন্দা পুলিশ সাধারণ ইয়াবা ব্যবসায়ী ভেবে গ্রেফতার করলেও পরে জানা যায় তারা বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষী। তিনজনের মধ্যে একজন পালিয়ে গেলেও এক কারারক্ষী ও তার সহযোগীকে ৫৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক রাফসান জানী বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষী (ব্যাচ নং-৪১৯৬৭) সালাউদ্দিন রাজা, কারারক্ষী (ব্যাচ নং-৪২৬৭৪) ইয়াছিন খান এবং তাদের সহযোগী নাঈমুল ইসলাম জিতু মিলে বরিশাল শহরে দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিএম কলেজ এলাকায় মোটরসাইকেলে করে ইয়াবা নিয়ে যান তারা। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালালে কারারক্ষী সালাউদ্দিন রাজা কৌশলে পালিয়ে যান। তবে আটক হন অপর করারক্ষী ইয়াছিন খান এবং সহযোগী নাইমুল ইসলাম জিতু।

গোয়েন্দা উপ-পরিদর্শক রাফসান জানী জানান, আটককৃতদের দেহ তল্লাশিকালে নাইমুল ইসলাম জিতুর পরিহিত জিন্সের প্যান্টের বাম পাশের পকেট থেকে তিন প্যাকেটে ৫৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য পৌনে তিন লাখ টাকা।

এদের মধ্যে প্রধান আসামি নাইমুল ইসলাম জিতু বরগুনা জেলার আমতলীর কুকুয়া ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন মৃধার ছেলে। এ ছাড়া গ্রেফতারকৃত বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষী ইয়াছিন খান বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের উত্তর কাকচিড়া গ্রামের শাহ আলম খানের ছেলে এবং পলাতক কারারক্ষী সালাউদ্দিন রাজা পটুয়াখালী জেলার বদরপুর ইউনিয়নের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network