শিরোনাম

৪ শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে বরিশাল নদীবন্দরে বিক্ষোভ

আপডেট: March 26, 2022

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক::

চার শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রায় দুই ঘণ্টা নদীবন্দর অবরুদ্ধ রাখার পর প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২৫ মার্চ) রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে রাত ৮টার দিকে বরিশাল নদীবন্দরে টোলের টিকিট জালিয়াতি করার প্রতিবাদ করায় চার শিক্ষার্থীকে মারধর করে বন্দরের কর্মচারীরা।

বর্তমানে নদীবন্দরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের অ‌তি‌রিক্ত উপ-ক‌মিশনার ফজলুল ক‌রিম। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা ঘটিয়েছে বন্দর কর্মচারীরা। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করার পরে বন্দর কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেছেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চাকরি বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট। তারা ক্যাম্পাসে ফিরে গেছেন।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ জানান, তিতুমীর কলেজের এক বন্ধুকে আমরা কয়েকজন মিলে বরিশাল নদীবন্দরে এগিয়ে দিতে আসি। আমরা নদীবন্দেরের কাউন্টারে জানাই, একজন ঢাকা যাবে। তার টিকিট সংগ্রহ করেছি। বাকি তিনজন যাব না। কিন্তু কাউন্টার থেকে আমাদের চারজনের টিকিট সংগ্রহ করতে বাধ্য করেন। টিকিট সংগ্রহ করার পরে তা নদীবন্দর কর্মচারীরা না ছিঁড়ে পকেটে ঢুকিয়ে রাখেন। আমরা তখন জানতে চাই, সরকারি বিধান মতে টিকিট ছিঁড়ে ফেলার কথা কিন্তু কেন ছিঁড়ছেন না। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৭-৮ জন আমাদের আটকে মারধর করেন।

শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, মারধরের একপর্যায়ে আমাকে ও আরিফকে নদীবন্দরের দোতলায় কর্মকর্তাদের কক্ষে নিয়ে আটকে মারধর করে। কান ধরিয়ে ওঠবস করান। আমাদের মোবাইল, মানিব্যাগ রেখে দিয়ে পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়রদের জানাই এবং আমাদের মারধরের ঘটনার বিচার দাবিতে নদীবন্দরে আন্দোলন করি।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী অমিত হাসান রক্তিম বলেন, নদীবন্দর কর্মচারীরা কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছিল। এর প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীদের অমানবিক নির্যাতন চালায়। আমরা আন্দোলন করার অনেকক্ষণ পরে পুলিশ প্রশাসন অভিযুক্ত একজনকে উপস্থিত করতে সক্ষম হন। অভিযুক্ত প্রক্টর স্যারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়া কোনো মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ করবেন না।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network