২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে উথলী রেলস্টেশনে মানববন্ধন সুন্দরবনে ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ আটক ১ সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিওটি আসল: রিউমর স্ক্যানার চুয়াডাঙ্গায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড মঠবাড়িয়ায় সড়ক ভাঙনে ৫ গ্রাম বিচ্ছিন্ন, চরম দুর্ভোগে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ববিতে সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিকসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের লড়াই: দুঃখিত স্যার, আজ আপনাকে হারাতেই চাই পানছড়িতে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ বিক্রি: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নূর হোসেনের আত্মত্যাগ স্বৈরাচারী সরকারের পতন ত্বরান্বিত করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নূর হোসেনসহ গণতন্ত্রের জন্য আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের মহান আত্মত্যাগ তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করেছিল। সর্বস্তরের মানুষ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার ফলে স্বৈরাচারী সরকারের পতন আরো ত্বরান্বিত হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে একথা বলেন। তিনি এ দিবসে  শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন নূর হোসেনসহ গণতন্ত্রের জন্য আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদকে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৮৭ সালের এই দিন যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন তার বুকে ও পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ শ্লোগান লিখে ১৯৮৭ সালের এই দিনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৫-দলীয় ঐক্যজোটের মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নূর হোসেন আমার গাড়ির সাথে সাথে হাঁটছিল, মিছিলটি যখন জিরো পয়েন্টে পৌঁছে তখন স্বৈরাচার সরকারের নির্দেশে মিছিল লক্ষ্য করে প্রথমে বোমা মারা হয় এবং এর পরই গুলি করা হয়, সে গুলিতে নূর হোসেন ও বাবুল নিহত হয়। এ ছাড়া যুবলীগের আরেক নেতা নূরুল হুদা ও কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো শহীদ হন। তাঁদের এ মহান আত্মত্যাগ তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করেছিল। সর্বস্তরের মানুষ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। এতে স্বৈরাচারী সরকারের পতন আরো ত্বরান্বিত হয়।’

তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলন-সংগ্রামে আরো নাম না জানা অনেকে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। অব্যাহত লড়াই-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর অবশেষে স্বৈরশাসকের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। জনগণ ফিরে পায় ভোট ও ভাতের অধিকার।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে নূর হোসেনসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network