শিরোনাম
উজিরপুরে প্রায় ১০ কোটি টাকায় দৃষ্টিনন্দন সেতু, দেখতে প্রতিদিনই ভিড় আমতলীতে গাঁজা ও ইয়াবাসহ মা ছেলে গ্রেফতার! সুমন হত্যাকারীদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা, বিচার নিশ্চিত করা হবে: কামরুল হাসান রুবেল এভাবে আর কোনো পুলককে গণমাধ্যম অঙ্গন থেকে হারাতে চাই না: আহমেদ আবু জাফর বাকেরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী মৃত্যুর আগে যা লিখেছিলেন সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জি চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি নূরুল ইসলাম নয়ন সাংবাদিক চাষী রমজানের রোগমুক্তি কামনায় জীবননগর প্রেসক্লাবে দোয়া মাহফিল

বরগুনায় মানববন্ধনে লাঠিচার্জের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন

আপডেট: August 9, 2020

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে গ্রেপ্তার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী চলচ্চিত্রকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে বরগুনার বামনা উপজেলায় আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে লাঠিপেটা ও ওসির হাতে পুলিশ সদস্য লাঞ্ছিতের ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে জেলা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোফিজুল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তিন সদস্যের এই কমিটির সদস্যরা আজ রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কক্সবাজারে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে শনিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার বামনায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে সাহেদুল ইসলাম সিফাতের শিক্ষক, সহপাঠী, স্বজন ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন চলাকালে বামনা থানা–পুলিশের একটি দল প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা ব্যানার-পোস্টার ছিনিয়ে নেয়। এরপর বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস আলী তালুকদার মানববন্ধনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ শুরু করে ছত্রভঙ্গ করে দেন। এতে ১০ শিক্ষার্থী আহত হন।

এ ঘটনার পর বামনা থানার পুলিশ দাবি করে, তাদের কাছ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। মানববন্ধনের নামে রাস্তা অবরোধ করা হয়। সেখানে পুলিশ গিয়ে তাঁদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। কোনো লাঠিচার্জ করা হয়নি।

জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মফিজুল ইসলাম  বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তদন্ত শুরু করলাম। আরও দু–এক দিন সময় লাগবে।’

গত ৩১ জুলাই রাতে মেজর (অব.) সিনহা ও সাহেদুল টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে যাচ্ছিলেন। বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। সে সময় ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network