২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

শিরোনাম
সংরক্ষিত এমপি হিসেবে দুর্দিনের বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানকে চায় বরিশালবাসী নলছিটিতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার দাফনে অংশ নিলেন ছাত্রলীগ নেতা উজিরপুরে দলিল লেখক সমিতির কমিটি ঘোষণা লাভলু সভাপতি, সবুজ সাধারণ সম্পাদক, সোহাগ সাংগঠনিক সম্পাদক শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো “আনোয়ারা আশ্রাফ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন” বৃত্তিতে শতভাগ সাফল্য অর্জন নাগেশ্বরীর আল-কারীম ক্যাডেট মাদ্রাসা সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতায় তালতলীতে চাষাবাদ ব্যাহত দিশেহারা কৃষক বাকেরগঞ্জে সাংবাদিকদের সন্মানে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আ.লীগ কার্যালয়ে দলীয় ব্যানার পাথরঘাটায় ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ট্রলারের ইঞ্জিন চুরির অভিযোগ

সংরক্ষিত এমপি হিসেবে দুর্দিনের বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানকে চায় বরিশালবাসী

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বৈরাচারী আমলের দুর্দিনে দলের তৃণমূল কর্মীদের পাশে থেকে ভুয়সী ভুমিকা রেখেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল বরিশাল জেলার সভানেত্রী ফাতেমা রহমান। দলের জন্য তার ত্যাগ, মামলা হামলার শিকার হওয়া, নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে দলের প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন সহ নানা অবদানে তৃণমূল কর্মীদের হৃদয়ে স্থান করেছেন তিনি। সে কারনেই বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে সংরক্ষিত নারী সংসদীয় আসনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে তান নাম। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ তাকে এই আসনে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে জেলা রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত তার সক্রিয় উপস্থিতি তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে নিয়ে এসেছে।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি, সংগঠন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে তিনি নিজেকে একজন নিবেদিত প্রাণ ও সাহসী নারী নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বরিশালের রাজনীতিতে নারী জাগরণের এক দৃঢ় প্রতীক হিসেবে পরিচিত ফাতেমা রহমান।
শিক্ষাজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বেগম খালেদা জিয়া-র আদর্শকে ধারণ করে ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি প্রকাশ করেন তিনি। ১৯৮৫ সালে বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে তার শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন হয়।
তার রাজনৈতিক পথচলা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০০১ সালে আবুল হোসেনের প্রেরণায়। সে সময় তিনি বাকেরগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংগঠনে তার দক্ষতা, কর্মঠতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৩ সালে বরিশাল জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পান।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে জেলা মহিলা দলের সেক্রেটারি এবং ২০২১ সালে বরিশাল জেলা মহিলাদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সংগঠনকে তৃণমূল থেকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার হাত ধরে বহু নারী রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এবং নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন—এমনটাই জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিক হামলা ও মামলার সম্মুখীন হয়েছেন। প্রতিকূলতা, ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলার চাপ সত্ত্বেও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরং প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করে সংগঠনের প্রতি তার অটুট আনুগত্য প্রমাণ করেছেন।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ফাতেমা রহমান হিংসা বা প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, আদর্শভিত্তিক ও সাংগঠনিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দল ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংরক্ষিত নারী সংসদীয় আসনে তার নাম আলোচনায় আসায় তৃণমূল পর্যায়ে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সংগ্রামী মানসিকতা তাকে এই আসনের একজন যোগ্য দাবিদার হিসেবে তুলে ধরেছে।
সব মিলিয়ে বরিশালের রাজনীতিতে ফাতেমা রহমান শুধু একটি নাম নয়— তিনি নারী নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, সাহস ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক, এবং অনেকের কাছে আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network