কুয়াশার দাপট আরো দুই-এক দিন, এরপর শৈত্যপ্রবাহ

আপডেট: December 13, 2020

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ ডেস্ক:: চলমান কুয়াশার দাপট আরো দু-এক দিন থাকতে পারে।  কুয়াশা কেটে গেলেই মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আসবে। আর জানুয়ারি মাসে আসতে পারে একাধিক তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান বলেন, ‘কুয়াশা আরো দু-এক দিন থাকতে পারে। যেহেতু কুয়াশা আছে তাই আমাদের শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। এই কুয়াশা কেটে গেলেই মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আসবে। আর জানুয়ারি মাসে একাধিক তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে।’

রাজধানীর কিছু জায়গায় হঠাৎ গতকাল শনিবার দুপুরে দেখা মেলে রোদের, কিন্তু মুহূর্তেই তা আবার মিলিয়ে যায়। সারা দেশের বেশিরভাগ স্থানেই দেখা মেলেনি সূর্যের। তবে আজ রবিবার ঢাকায় সকাল সাড়ে ৭টার দিকেই মিলেছে সূর্যের দেখা। এরপর চলছে যাওয়া-আসার খেলা।এমন অবস্থা আরো দু-এক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এই কুয়াশার কারণেই শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ২৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৪, ময়মনসিংহে ১৪.৫, চট্টগ্রামে ১৬.৫, সিলেটে ১৫.৫, রাজশাহীতে ১৪.৫, রংপুরে ১৫, খুলনায় ১৪ এবং বরিশালে ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সাধারণত আমাদের দেশে গড়ে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা আসলেই তা শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে পড়ে। বর্তমানে গড়ে এই তাপমাত্রা রয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এর সঙ্গে রয়েছে ঘন কুয়াশা। ফলে সারা দেশেই বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network