আপডেট: June 18, 2020
অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আরও দুই-তিন বছর থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, করোনা সংক্রমণের কিছুকাল পরেই বাংলাদেশে সংক্রমণের উঁচু হার কমে আসতে পারে। কিন্তু করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি করলে অনেক লুকায়িত ও মৃত কেসও শনাক্ত হবে। সে ক্ষেত্রে সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দৃষ্টিগোচর নাও হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি জনবহুল ও অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। অন্যদিকে করোনাভাইরাসও অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি ভাইরাস। এ কারণে অসতর্ক চলাফেরা এবং স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে না চললে এ দেশের সংক্রমণের হার মোকাবেলা করা কঠিন।
করোনায় চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় সমবেদনা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের সকলের হৃদয় অত্যন্ত ভারাক্রান্ত। আমরা নিবেদিত অনেক চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংবাদিকসহ অনেক শীর্ষ রাজনীতিদ, বিশিষ্ট ও গুণীজন এবং অনেক মানুষকে হারিয়েছি। এটি জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
বক্তব্যে নিজের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে অধ্যাপক ডা. আজাদ বলেন, আমাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বেশ কয়েক দিন চিকিৎসা নিতে হয়েছে। আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া, সবার দোয়ায় আমি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছি।প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৮০৩ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ দুই হাজার ২৯২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৪৩ জনের।

