ভারসাম্যহীন শিক্ষককে পুড়িয়ে মারল আমজনতা, পিতৃহারা হলো শিশুটি

আপডেট: October 30, 2020

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ আগুনে পোড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের আগে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ঘটে ঘটনা। 

যে ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর পোড়ানো হয়েছে তার নাম আবু ইউনুস মো. সহিদুন্নবী জুয়েল। বাড়ি রংপুর শহরের শালবান এলাকায়। তিনি রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের সাবেক লাইব্রেরিয়ান ছিলেন। তার বাবার নাম আবদুল ওয়াজেদ মিয়া।

জানা গেছে, সহিদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ আগুনে পোড়ানোর ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিক্ষক বাবাকে হারিয়ে কাঁদছে ছোট্ট ছেলেসহ পুরো পরিবার।

পরিবারের অভিযোগ, কোনো কিছুর সত্যতা যাচাই না করেই সহিদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গুজবের বশবর্তী হয়ে এ ঘটনা ঘটনো হয়েছে। আমরা জুয়েল হত্যার বিচার চাই।

এক ব্যক্তি জানান, জুয়েলকে ভালোভাবে চিনি। নামাজি, ভদ্র, শান্ত স্বভাবের ছিলেন। রংপুর জিলা স্কুলের ৮৬তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন।

সহিদুন্নবী জুয়েলের সরাসরি ছাত্র শাহরিয়ার শুভ জানান, স্যার(জুয়েল) প্রচুর পড়তেন। সারাদিন লাইব্রেরিতে বসে থাকতেন।

তিনি আরো জানান, স্যার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইনফরমেশন সাইন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট’ বিভাগের ছাত্র ছিলেন। আমার স্কুল ও কলেজ জীবনে তাকে যথেষ্ট ধার্মিক হিসেবে জানতাম। তাকে প্রতিদিন স্কুল মসজিদে নামাজ পড়তেও দেখতাম। বিতর্কের সময় আমরা তার রুমে বসে প্রস্তুতি নিতাম। সেসময় তিনি আমাদের নানা ধরনের উপদেশ দিতেন।

তবে মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে সহিদুন্নবী জুয়েলের চাকরি চলে যায় বলে জানিয়েছেন তার এলাকাবাসী, বন্ধু ও সহকর্মীরা। গত এক বছর আগে চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। সুএ -ডেইলি বাংলাদেশ

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network