শিরোনাম
জীবননগর থানা ও প্রেসক্লাবের মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র আপনাদের কলমের খোঁচায় যেন কারও ক্যারিয়ার-মানসম্মান নষ্ট না হয়: তথ্যমন্ত্রী তিন বছরে ৪০০-এর বেশি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১৭ নেপালে বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৫২,অভিযান অব্যাহত পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন তারেক রহমান: তথ্যমন্ত্রী দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব রটানো হচ্ছে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ পুর ইউনিয়নে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া

কলাপাড়ায় নড়বড়ে ভাসমান কাঠের সেতু, ভোগান্তিতে ৫ গ্রামের মানুষ

আপডেট: January 3, 2022

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ, কলাপাড়া : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১১৬ মিটার দৈর্ঘ্য এবং চার ফুট প্রস্থের সেই ভাসমান কাঠের সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমার খালের উপর গ্রামবাসীর অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাশ্রমে এটি তৈরি করা হয়। পানির উপরে দেওয়া হয়েছে প্লাস্টিকের ড্রাম। তার উপরে কাঠের পাটাতন।

বর্তমানে এই সেতু অনেকটা নড়বড়ে হয়ে গেছে। তারপরও কৃষি পল্লী খ্যাত ওই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেতু দিয়ে পরাপার হচ্ছে। এতে প্রায়শই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। তবে এ খালের উপর একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় পাখিমার খালের উপর ১১৬ মিটার দীর্ঘ আয়রণ ব্রিজ নির্মাণ করে। এরপর গত ২০২০ সালে ৬ আগস্ট রাতে হঠাৎ করে ভেঙে পড়ে। ফলে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সবজির গ্রাম খ্যাত মজিদপুর, এলেমপুর, কুমিরমারাসহ আশপাশের গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গ্রামবাসীর অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান এই কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে এ ভাসমান সেতুটি নড়বড়ে হয়ে গেছে। অনেক স্থান দিয়ে কাঠ ভেঙে গেছে। আবার অনেক স্থান দিয়ে ড্রাম ফুটো হয়ে পানি প্রবেশ করছে। বেশিরভাগ স্থানই দেবে গেছে। ফলে এ সেতু পারাপার হতে গিয়ে প্রায়শই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। তাই এ ভোগান্তির অবসানে একটি নতুন সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয় কৃষকসহ ওই এলাকার সাধারণ মানুষের।

কুমিরমারা গ্রামের কৃষক সুলতান গাজী বলেন, গ্রামে কৃষকরা প্রচুর পরিমাণে ধান ও সবজি আবাদ করে থাকে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু এই সেতুর অভাবে এসব মালামাল পরিবহন করতে হয় মাথায় করে। যেটা অনেক কষ্টকর কাজ।

স্থানীয় বাসিন্দা জাকির মিয়া বলেন, বর্তমানে এই সেতু দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে অনেকেই আহত হয়েছে। এছাড়া ছেলে মেয়েরা ভয়ে স্কুলে যেতে চায় না। এক কথায় ভোগান্তির চরম পর্যায় পৌঁছে গেছে।উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মহর আলী জানান, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। নতুন গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের লক্ষ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network