আপডেট: March 30, 2022
আপডেট নিউজ ডেস্ক:: আবহাওয়া অনুকূল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসায় বরিশাল বিভাগে এ বছর তরমুজ উৎপাদনে বিগত দিনের রেকর্ড ভেঙেছে। পাশাপাশি উৎপাদিত তরমুজ সুস্বাদু এবং আকারেও তুলনামূলক বড়। প্রথম দেখাতেই আকৃষ্ট হচ্ছেন ক্রেতা। ফলে দাদনের টাকা পরিশোধ করেও লাভ ঘরে তুলতে পারছেন বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন কৃষক ও আড়তদার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, অল্প সময়ে অধিক ফলনে মৌসুমি ফল তরমুজের বিকল্প নেই। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় ভূমি নদীবিধৌত পলি মাটির আস্তরণে তরমুজ চাষের উপযোগী। যে কারণে ঝুঁকি নিয়েই প্রতি বছর আবাদ করেন কৃষক।
খামারবাড়ি বরিশালের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে (২০২১-২২) বিভাগের ছয় জেলায় ৪৬ হাজার ৪৫১ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। যা গত মৌসুমের (২০২০-২১) চেয়ে ১১ হাজার ৭৬৩ হেক্টর বেশি। কারণ বিগত মৌসুমে ছয় জেলায় ৩৪ হাজার ৬৮৮ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল।
চলতি মৌসুমে সবচেয়ে বেশি তরমুজ চাষ হয়েছে পটুয়াখালী, বরগুনা এবং ভোলা জেলায়। তুলনামূলক কম চাষ হয়েছে বরিশাল, পিরোজপুর এবং ঝালকাঠিতে। এর মধ্যে পটুয়াখালীতে ২২ হাজার ৮৯০ হেক্টর, বরগুনায় ১১ হাজার ৫১২ হেক্টর, ভোলায় ১১ হাজার ২৪৯ হেক্টর, বরিশালে ৬৪৬ হেক্টর, পিরোজপুরে ১০৬ হেক্টর এবং ঝালকাঠিতে ৪৮ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
তরমুজ চাষি শাহজাহান মাঝি বলেন, এ বছর এক কানি (৩৯.৬৭ শতাংশ) জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকায় কোনো তরমুজ নষ্ট হয়নি। আশা করছি, গত বছর যেসব কৃষকের লোকসান হয়েছে তার ৮০ ভাষ কৃষক এ বছর লাভবান হবেন।

