সাহেদ চার মামলায় ২৮ দিন, মাসুদ তিন মামলায় ২১ দিনের রিমান্ডে

আপডেট: July 26, 2020

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক: করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদের চারটি মামলায় মোট ২৮ দিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজকে ২১ দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে সকাল ১০ টায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিমে তিন ও উত্তরা পূর্ব থানায় প্রতারণার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর ১০ দিন করে মোট ৪০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এ সময় তাদের রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। পরে বেলা ১২টা ১০ মিনিটের দিকে পুলিশ পাহারায় একটি গাড়িতে করে বের করা হয়। এরপর শুনানির জন্য তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত সাহেদের পৃথক চারটি মামলায় ৭ দিন করে মোট ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এছাড়া গত ১৬ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জসিসের আদালত সাহেদ ও মাসুদের ১০ দিনের  রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ১৫ জুলাই সকালে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর বেইলি ব্রিজের পাশে নর্দমার মধ্যে থেকে বোরকা পরা অবস্থায় সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।  এছাড়া  গত ১৪ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কাপাসিয়ার একটি বাড়ি থেকে মাসুদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

এদিকে মেট্রোরেল প্রকল্পে কর্মরত ৭৬ কর্মীকে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান ১০ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।  গত শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলামের আদালত রিমান্ডের এই আদেশ দেন। গত শুক্রবার রাতে গোপালগঞ্জের একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা তারেক শিবলীসহ আটজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গত ৮ জুলাই এই আট আসামির মধ্যে তারেক শিবলী বাদে প্রত্যেকের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।  ওই দিন কামরুল ইসলাম নামের এক আসামি কিশোর হওয়ায় তাকে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া তারেক শিবলীকে গত ১০ জুলাই প্রথম দফায় পাঁচ দিন ও গত ১৬ জুলাই দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। এরপর রিমান্ড শেষে গত ২৪ জুলাই আদালতে হাজির করা হলে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় দণ্ডবিধির ৪০৬/৪১৭/৪৬৫/৪৬৮/৪৭১/২৬৯ ধারায় মামলা দায়ের করে র‌্যাব। মামলায় হাসপাতালের মালিক সাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network