বাকেরগঞ্জে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট: August 13, 2020

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি:: বাকেরগঞ্জে বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত, স্লিপ কার্যক্রম, বাৎসরিক মেন্টানাস বরাদ্দসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অর্থ নেয়ার অভিযোগ উঠছে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খোন্দকার জসিম আহমেদের বিরুদ্ধে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাকেরগঞ্জে উপজেলায় ২৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরের স্লিপ কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার ২৮০টি বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ১৯২টি বিদ্যালয়ে মেইনটেন্যান্স খরচ বাবদ ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা, মেরামতের জন্য ৪৭টি বিদ্যালয়ে ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে একাধিক শিক্ষক  জানান, স্লিপ কার্যক্রমের আওতায় ১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টাকায় অফিস ভ্যাটের কথা বলে নিয়েছে ১১ শতাংশ। মেইনন্টেন্যান্স বরাদ্দের ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিদ্যালয়প্রতি অফিসকে দিতে হয়েছে ৭শ’ টাকা এবং বিদ্যালয় সংস্কারের ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকার ৫০ শতাংশ বিল নিতে বিদ্যালয়প্রতি দিতে হয়েছে ২৫শ’ টাকা।

ওই শিক্ষকরা আরও জানান, টাকা নেয়া বাবদ শিক্ষা অফিস থেকে তাদের কোনো ভাউচার দেয়া হয়নি।উপজেলা শিক্ষা অফিসে খোঁজ নিলে ১০ শতাংশ ভ্যাট দেয়ার কথা স্বীকার করলেও বাকি ১ শতাংশ কেন নিয়েছে সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারেননি অফিস সহকারী।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খোন্দকার জসিম আহমেদ বলনে, অফিসের নিয়ম মেনেই বরাদ্দের টাকা দেয়া হয়েছে। কারও কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেয়া হয়নি।

অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, অফিস সহকারীর সঙ্গে কথা বলে জেনে নিতে পারেন।এ বিষয় বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাধবী রায় বলেন, বাৎসরিক বরাদ্দে অর্থ বিতরণে টাকা নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ এলে তদন্ত করে দেখা হবে।       সুএ: যুগান্তর নিউজ

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network