আপডেট: September 1, 2020
রিপোর্টার শামীম মীর।। করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। ইতোমধ্যে করোনা মহামারিতে বিশ্বব্যাপী সাড়ে চার লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় নব্বই লাখ মানুষ। বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে করোনা সংক্রমণের হটস্পটে পরিণত হয়েছে। এসময় আমাদের চিকিৎসকরা সামনে এসে মানুষের সেবা করছে।
ইতোমধ্যে সেবা দিতে গিয়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক মারাও গেছেন। ঠিক এ সময়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান ডায়বেটিকস হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও হাসপাতালের রিসিপসোনিষ্ট, নার্স এবং আয়াকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার সারাফাত রহমান রিফাত গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গৌরনদী পৌরসভার টিকাসার মহল্লার কয়েকজন বাসিন্দা মঙ্গলবার ভোর ৫.৩০ এ সময় পাঁচ বছরের একটি শিশুর শ্বাসকষ্ট নিয়ে ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান ডায়বেটিকস হাসপাতালে আসেন। স্বজনরা হাসপাতালের স্টাফদের জানান তারা শিশুটিকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তারা শিশুটির অবস্থা দেখে জরুরি ভিত্তিতে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু তারা শিশুটিকে নিয়ে এ হাসপাতালে এসে অক্সিজেন সাপোর্ট দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
পরবর্তীতে শিশুটিকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেয়া হয়। হাসপাতালের নার্স শিশুটিকে মত দ্রত সম্ভব বরিশাল নিয়ে মেতে বলেন কিন্তু কিছুক্ষণ পরে শিশুটার শ্বাসকষ্ট কমে গেলে তাকে বাড়ীতে নিয়ে যাওয়া হয়। পূনরায় শিশুর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় ওই শিশুটিকে। পরবর্তীতে শিশুটিকে অক্সিজেন লাগানো হয় এবং বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার জন্য আবারো বলা হয়। এঘটনার জেরধরে শিশুর সাথে আসা স্বজন দেলোয়ার চৌকিদার, রতন চৌকিদার, রাজু চৌকিদারের নেতৃত্বে ৫/৬ জন মিলে হাসপাতালে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে হাসপাতালের রিসিপসোনিষ্ট জুই আক্তার ও একজন আয়াকে পিটিয়ে আহত করা হয়।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার এসআই কেএম আবদুল হক জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই হাসপাতাল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

