একাধিক মামলার আসামি দুলাল এর ছবি। রিপোর্ট মনির হোসেন (ঝালকাঠি থেকে ফিরে) দুলাল মানেই একটি আতংকিত নাম হয়ে উঠেছে। ঝালকাঠি জেলার গালুয়া ইউনিয়নের আঃ লতিফ খানের ছেলে দুলাল। রাজাপুর, ভান্ডারিয়া, ঝালকাঠি সহ একাধিক মামলার আসামি এই দুলাল। পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়েই সঙ্ঘবদ্ধ নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই দুলাল! নিজ এলাকার সাধারন ছেচরা-চুরি থেকে শুরু করে আজ তিনি অপরাধ চক্রের যোগানদাতা ও গ্যাংস্টার দুলাল। রাজধানীর ঢাকার খিলগাঁও এলাকার তার মামা আবুল কালাম আজাদের ছত্রছয়ায় থেকেই ভাগ্নে দুলালের অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটে। মামা আজাদের আসল নাম তোকছের। একই এলাকার দিনমজুরি মৃত্যু আব্দুলের ছেলে তোকছের ১৯৮১ইং সালে তার গ্রাম থেকে সুপারী চুরির দায়ে স্থানীয়দের...
একাধিক মামলার আসামি দুলাল এর ছবি।
রিপোর্ট মনির হোসেন (ঝালকাঠি থেকে ফিরে)
দুলাল মানেই একটি আতংকিত নাম হয়ে উঠেছে। ঝালকাঠি জেলার গালুয়া ইউনিয়নের আঃ লতিফ খানের ছেলে দুলাল। রাজাপুর, ভান্ডারিয়া, ঝালকাঠি সহ একাধিক মামলার আসামি এই দুলাল। পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়েই সঙ্ঘবদ্ধ নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই দুলাল!
নিজ এলাকার সাধারন ছেচরা-চুরি থেকে শুরু করে আজ তিনি অপরাধ চক্রের যোগানদাতা ও গ্যাংস্টার দুলাল। রাজধানীর ঢাকার খিলগাঁও এলাকার তার মামা আবুল কালাম আজাদের ছত্রছয়ায় থেকেই ভাগ্নে দুলালের অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটে। মামা আজাদের আসল নাম তোকছের। একই এলাকার দিনমজুরি মৃত্যু আব্দুলের ছেলে তোকছের ১৯৮১ইং সালে তার গ্রাম থেকে সুপারী চুরির দায়ে স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে ঢাকায় চলে আসে এবং তার ভাগ্য বদলে যায়। এখন তিনি রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় গাড়ীও বাড়ির মালিক। সে কারনে সবাই তাকে আবুল কালাম আজাদ সাহেব বলে চিনে ও জানে। এই মামার ছত্রছায়ায় থাকা ভাগ্নের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন তার আপন ভাই রুসতুম আলী এবং খালাত ভাই রেদয়ান, এমনটাই জানিয়েছে স্থানীয়রা। এখানেই শেষ নয়, দুলালের বড় ছেলে আসাদুল এর বিরুদ্ধে ইভটিজিং মামলা রয়েছে এবং এই মামলার বাদী ছিলেন উপজেলা থানা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেই। দুলাল ও তার ভাই রুস্তম খানের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি, হাতুড়ি দিয়ে মানুষ পেটানোর ও আগুন দিয়ে ঘর পোড়ানো মামলা রয়েছে।
১০| রাজাপুর থানার মামলা নং-২,তারিখ-০২/০২/১৯;ধারা-৩৬(১)এর ১৯(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮;
১১| পিরোজপুর ভান্ডারিয়া থানার মামলা নং-০১ জি আর নং-১৫১/১৪(ভান্ডারিয়া),ধারা-১৯(১)এর ৯(খ)/১৯ (৪)/২৫ ১৯৯০সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর এজাহার ভুক্ত মামলার আসামী।
দুলাল বর্তমানে পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। মাঝে মাঝে তাকে হঠাৎ করে এলাকায় দেখা যায়। ৫/৭ দিন আগে রাত আনুমানিক ১১ঃ০০ ঘটিকার সময় দুলালকে নিজ গ্রামে দেখা যায়। একটি ফোন আসার সাথে সাথে দুলাল উধাও। মুহুর্তের মধ্যে দুলাল গা ঢাকা দিয়ে আত্মগোপন করেন। দুলালকে দেখলেই হঠাৎ লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি কাজ করে, কখন কি হয়, আবার কি অঘটন ঘটাবে। স্থানীয় জনগণ দুলালকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।