গারুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাইয়ুম খানকে নিয়ে কটুক্তির জের ধরে হামলা, আটক- ২

আপডেট: September 3, 2021

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

গারুড়িয়া প্রতিনিধিঃ বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান এস এম কাইয়ুম খানকে নিয়ে কটুক্তির জের ধরে প্রতিবাদ করায় তার চাচাতে ভাইয়ের উপর হামলা। এই ঘটনায় গারুড়িয়া বাজার থেকে হামলাকারী ফোরকান হাওলাদার ও তার ভাই ফারুক হাওলাদারকে দেশীয় অস্ত্রসহ পুলিশ আটক করে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গারুড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম হাওলাদারের পুত্র ফোরকান হাওলাদার ৩ সেপ্টেম্বর সকালে গারুড়িয়া বাজারে বসে ইউপি চেয়ারম্যান এম কাইয়ুম খানকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় কটুক্তি করে। এতে তার চাচাতে ভাই মাসুদ খান প্রতিবাদ করলে তার সাথে তর্ক হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ১১ টার সময় আলহাজ্ব এস এম কাইয়ুম খান তথ্য কেন্দ্র থেকে মসজিদে জুমার নামাজ পরতে যাবার পথে ফোরকানকে তাকে নিয়ে কটুক্তি করতে নিষেধ এবং সংশোধন হবার পরামর্শ দেয়। এনিয়ে ফোরকান হাওলাদার ও তার ভাই ইউসুফ হাওলাদার, ফারুক হাওলাদার, ভাইপো শাকিল হাওলাদার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশীয় অস্ত্রসহ চেয়ারম্যান ও তার চাচাতো ভাই মাসুদ খানের উপর হামলা করে। হামলাকারীরা এসময় মাসুদ খান (৪২) কে ছেনা দিয়ে কোপ দিলে সে হাত দিয়ে ঠেকালে কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। স্থানীয়রা তাদের ডাক-চিৎকার শুনে এসে রক্ষা করেন। স্থানীয়রা হামলাকারী ফোরকান ও তার ভাই ফারুককে ফোরকানের ঔষধের দোকানে অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ফোরকানের ঔষধের দোকান থেকে দেশীয় অস্ত্র ছেনা, লোহার রড ও লাঠিসোঠা উদ্ধার করে ফোরকান ও তার ভাই ফারককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। হামলাকারী ইউসুফ হাওলাদার ও তার পুত্র শাকিল হাওলাদার পলাতক রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আলাউদ্দিন মিলন বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটেছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার কথাও স্বীকার করেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network