আত্মীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে চোখের রোগ বেশী হওয়ার শঙ্কা !

আপডেট: March 13, 2022

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট ডেস্ক: গ্লুকোমা বা চোখের রোগ প্রতিরোধে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, ‘এটি বংশগত রোগ। আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিয়ে হলে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় চার গুণ বেড়ে যায়। বাংলাদেশে শতকরা দুজন লোক গ্লুকোমায় আক্রান্ত। শতকরা ৫০ জন লোক জানেন না তার গ্লুকোমা রোগ আছে।’
শনিবার (১২ মার্চ) বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহের শেষ দিনে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, গ্লুকোমা এমন একটি রোগ, যা নীরব ঘাতকের মতো কাজ করে। এজন্য একে ছাই চাপা, তুষের আগুনের সঙ্গে তুলনা করে হয়। গ্লুকোমায় একবার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা পুনরায় সুস্থ হয় না। অর্থাৎ রোগীর স্থায়ীভাবে ক্ষতি হয়ে যায়। তাই গ্লুকোমাকে প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করতে হবে। রোগী প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা পেলে সুস্থ জীবন-যাপন করতে পারবেন।
চিকিৎসার পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে জানিয়ে গ্লুকোমা সোসাইটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. শেখ এমএ মান্নাফ বলেন, ‘রোগী অনুযায়ী দেশে মোট ৯০ জন গ্লকোমার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। এছাড়া দেশের সব চক্ষু চিকিৎসকই গ্লকোমার চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গ্লুকোমা তিনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। ওষুধ, লেজার ও সার্জারির মাধ্যমে। যে রোগীদের অবস্থা অ্যাডভান্স পর্যায়ে, তাদের সার্জারি করা হয়। যাদের সাধারণ পর্যায়ে আছে, তাদের ওষুধ দিই। তবে যাদের ওষুধে অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের লেজার ট্রিটমেন্ট করা হয়। দেশেই সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে সার্জারি করা হয়। এক্ষেত্রে সফলতার হার প্রায় শতভাগ।’

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network