শিরোনাম
বাকেরগঞ্জে চাঁদার দাবিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর-লুটপাট উজিরপুরে পরকীয়ার অভিযোগে ছাত্রদল নেতা আটক, গণধোলাই; বিএনপি নেতার হস্তক্ষেপে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগ উজিরপুরে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত কর্মকর্তার মতবিনিময় কলাপাড়ায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার পিরোজপুরে ৭ শিক্ষকের স্কুলে ৮ শিক্ষার্থী, এসএসসিতে সবাই ফেল দুমকিতে ইউএনও অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন রাজাপুরে ১৩ শিক্ষকের ১২ পরীক্ষার্থী, পাস একজন রাজাপুরে বালুবাহী জাহাজের ধাক্কায় সেতু ভেঙে খালে, যোগাযোগ বন্ধ গৌরনদীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত

ফরজ নামাজের পর ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়তেন রাসূলুল্লাহ (সা.), কারণ…

আপডেট: June 13, 2023

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ:: প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পবিত্র কোরআনুল কারিমের মর্যাদাপূর্ণ আয়াত ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়া সুন্নত। বিশ্ব নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়মিত এ আমল করতেন।
এখন আমরা জানবো যে কারণে ফরজ নামাজের পর ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়তেন রাসূলুল্লাহ (সা.)-ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসির নিয়মিত আমল মানুষকে জান্নাতে পৌঁছে দেয়। যাতে মৃত্যুই শুধু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এর আমলকারী মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে জান্নাতে পেয়ে ধন্য হয়।

হাদিসে এসেছে- হজরত আবু উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে কেউ প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করে; তার মৃত্যুই তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য বাঁধা হয়ে থাকে’। (নাসাঈ, ইবনু হিব্বান, বুলুগুল মারাম)

উচ্চারণ ও অর্থসহ আয়াতুল কুরসি

اللّهُ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَاء وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ وَلاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
উচ্চারণ: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম। লা তাঅ খুযুহু সিনাতুঁও ওয়া লা নাওম। লাহু মা ফিস্ সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ্বি। মাং জাল্লাজি ইয়াশফাউ ইংদাহু ইল্লা বি-ইজনিহি। ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম, ওয়া লা ইউহিতুনা বিশাইয়্যিম্ মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শাআ ওয়াসিআ কুরসিইয়্যুহুস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা ওয়া হুওয়াল ‘আলিয়্যুল আজিম।’ (উচ্চারণটি কোনো কোরআন বিশেষজ্ঞের কাছে বিশুদ্ধভাবে পড়ে নেয়া জরুরি)
অর্থ: ‘(তিনিই) আল্লাহ, যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং ঘুমও নয়। সবই তার, আসমান ও জমিনের মধ্যে যা কিছু রয়েছে। কে আছ এমন- যে সুপারিশ করবে তার কাছে তার অনুমতি ছাড়া? (চোখের সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তার জ্ঞানের সীমা থেকে কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টিত করতে পারবে না, কিন্তু ‘হ্যাঁ’, তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ছাড়া। সমগ্র আসমান এবং জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে তার সিংহাসন। আর সেগুলোকে ধারণ (নিয়ন্ত্রণ) করা তার জন্য কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান’।

আয়াতুল কুরসিতে তাওহিদের শ্রেষ্ঠ ঘোষণাগুলো তেলাওয়াত করা হয়। আর এতেই এর তেলাওয়াতকারীর মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। সে কারণেই যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়ে, ওই ব্যক্তি ও জান্নাতের মাঝে এতোটুকু দূরত্ব থাকে যে, সে যেন শুধুমাত্র মৃত্যুবরণ করেনি বলেই (কবরে) জান্নাতের নেয়ামতগুলো উপভোগ করতে পারছে না।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর সুন্নতের অনুসরণে নিয়মিত আয়াতুল কুরসির আমল করা। হাদিসে ঘোষিত ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনের চেষ্টা করা।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসির আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network