১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
তালতলীতে এম্বুলেন্স মালিক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন. সভাপতি সামীম মৃধা সাধারণ সম্পাদক কবির মৃধা বিশ্ব মা দিবস আজ , পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা গাজীপুরে গরু চুরির অভিযোগে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে নিহত একই পরিবারের পাঁচজনের দাফন গোপালগঞ্জে সম্পন্ন শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে: লস্কর মোহাম্মদ তসলিম বাকেরগঞ্জ পুলিশের হাতে আটক ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড গাজীপুরে ৫ হত্যা: লাশগুলোর উপরে ছিল টাইপ করা চিরকুট কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পানছড়ি বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমামকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা

জনরোষ থেকে বাঁচতেই ডিজিটাল আইনের অপব্যবহার: ফখরুল

আপডেট: মে ৯, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক :: কেবল সরকারকে জনরোষের আগুন থেকে রক্ষার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার চলছে বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেইসঙ্গে অবিলম্বে এই গণবিরোধী আইন বাতিল করারও দাবি জানান তিনি।

আজ শনিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।মির্জা ফখরুল বলেন, গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে সরকারের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার ওপর লেখালেখি করার কারণে বেশ কয়েকজনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নতুন করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে একটি কার্যকরী মানহানি আইন থাকা সত্ত্বেও নির্যাতন ও হয়রানির উদ্দেশ্যে ডিজিটাল আইনকেই বারবার ব্যবহার করছে সরকার। মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে পেছনে হাতমোড়া অবস্থায় হ্যান্ডকাফ পরা সাংবাদিকের ছবিসহ সংবাদই উৎকৃষ্ট প্রমাণ ডিজিটাল আইনকে সরকার কীভাবে সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে চলছে।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার তো দূরে থাকুক, মানুষ তার কষ্টের কথাও যাতে ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য একের পর এক পরিপত্র জারি করে চলেছে সরকার।

তিনি বলেন, বিটিআরসির মতো একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে পরিণত করেছে ডিজিটাল জগতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রধান পুলিশি প্রতিষ্ঠানে।মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু বিএনপি এবং সকল রাজনৈতিক দলই নয়, দেশের সকল মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদপত্র সম্পাদকদের সম্মিলিত সংগঠন বারবার ওই গণবিরোধী আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হরদম গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ও আতঙ্কের মধ্যে রাখা হয়েছে। অথচ ত্রাণের চাল-চোর ও গম-চোরেরা নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এসবের মধ্য দিয়ে সরকারের নিষ্ঠুর, অমানবিক এবং ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইনের অপপ্রয়োগ করে গ্রেপ্তার ও হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বিএনপি। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক বন্দীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আদালত পুরোপুরি স্বাভাবিকভাবে না খোলা পর্যন্ত হত্যা-ধর্ষণসহ জঘন্যতম অপরাধ ছাড়া সকল প্রকার গ্রেপ্তার বন্ধ রাখতে হবে অথবা বিকল্প হিসেবে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালত খোলার পর আত্মসমর্পণের শর্তে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দিতে হবে। কারাগারে বন্দী লঘু অপরাধে ও রাজনৈতিক মামলায় আটকসহ বয়স্ক এবং মহিলা বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network