নারায়ণগঞ্জের খানপুর করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা শুরু
আপডেট: April 13, 2020
ফেইসবুক শেয়ার করুন
নারায়ণগঞ্জের খানপুর করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা শুরু
আপডেট:
Photo Card
Preview
নারায়ণগঞ্জের খানপুর করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা শুরু
অনলাইন ডেস্কঃ করোনা রোগীদের জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। শুধু করোনা আক্রান্ত রোগীদের আউটডোর সেবা ও পরামর্শ প্রদান করা হবে। সোমবার সকাল ১১ টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এতে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা তিনজন ডাক্তার ও ৬ জন নার্স দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া হাসপাতালটি করোনা রোগীদের জন্য আইসোলেট হাসপাতাল হিসেবে প্রস্তুত করতে কাজ চলছে। আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এ কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন হাসপাতালের চিকিৎসা তত্ত্বাবধায়ক ও উপ পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. গৌতম রায়। গৌতম রায় জানান, সকাল থেকেই এখানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সীমিত আকারে সেবা...
অনলাইন ডেস্কঃ করোনা রোগীদের জন্য নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। শুধু করোনা আক্রান্ত রোগীদের আউটডোর সেবা ও পরামর্শ প্রদান করা হবে।
সোমবার সকাল ১১ টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এতে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা তিনজন ডাক্তার ও ৬ জন নার্স দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ছাড়া হাসপাতালটি করোনা রোগীদের জন্য আইসোলেট হাসপাতাল হিসেবে প্রস্তুত করতে কাজ চলছে। আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এ কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন হাসপাতালের চিকিৎসা তত্ত্বাবধায়ক ও উপ পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. গৌতম রায়।
গৌতম রায় জানান, সকাল থেকেই এখানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সীমিত আকারে সেবা দেয়া হচ্ছে। এখান থেকে তাদেরকে বিভিন্ন আউটডোরে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে, পরামর্শ প্রদান করা হবে। বিশেষ জরুরি প্রয়োজন তাদেরকে ঢাকায় পাঠানো হবে। তবে এখান থেকে স্যাম্পল কালেকশন কিংবা টেস্ট করানো হচ্ছে না।
তিনি আরো জানান, হাসপাতালে ১১ এপ্রিল ঢাকা থেকে বিশেষ টিম এসেছিলেন। তারা পুরো প্ল্যান করে দিয়ে গেছেন। সে অনুযায়ী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুতই কাজ করা হচ্ছে। এখানে ১০টি আইসিইউ এর সঙ্গে ভেন্টিলেশন সম্পন্ন শয্যা এবং ৪০ টি আলাদা শয্যার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আইসোলেটেড হাসপাতাল করতে অনেকগুলো কাজ করতে হয়। এখানে তো একটি সাজানো বেড (শয্যা) অন্য স্থানে সরালেই হবে না, পুরো ভবনটিতেই কাজ করতে হচ্ছে। নতুনভাবে সবকিছু স্থাপন করতে হচ্ছে। অনেক সময়ের ব্যাপার হলেও এখন সংশ্লিষ্ট সবগুলো প্রতিষ্ঠান এক সঙ্গে কাজ করায় দ্রুত করতে পারছি।