আপডেট: October 2, 2025
ছবি: আপডেট নিউজ বিডি টোয়েন্টিফোর
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন “সুন্দরবন” এর নামানুসারে খুলনা-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃনগর একটি ট্রেনের নামকরণ করা হয় সুন্দরবন এক্সপ্রেস। যার ট্রেন নম্বর ৭২৫/৭২৬। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম যাত্রীবাহী বাণিজ্যিক ট্রেন হিসেবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু পাড়ি দেওয়া দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ট্রেনটি ২০০৩ সালের ১৭ই আগস্ট থেকে ঢাকা-খুলনা রেলপথে যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে। যাত্রা শুরুর প্রথম দিকে ট্রেনটি যমুনা সেতু পাড়ি দিয়ে জয়দেবপুর পর্যন্ত চলাচল করত। পরবর্তীতে ট্রেনটির গন্তব্য নির্ধারণ করা হয় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন পর্যন্ত।
যাত্রা শুরুর পর থেকেই দর্শনা হল্ট স্টেশনে ট্রেনটির রাত্রিকালীন যাত্রাবিরতির যৌক্তিক দাবি করে আসছিল দর্শনাসহ আশপাশের এলাকাবাসী। যার অংশ হিসেবে একাধিকবার মানববন্ধন, স্মারকলিপি পেশ ও রেলপথ অবরোধ করা হয়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে কোনোভাবেই সেই দাবি বাস্তবায়ন হচ্ছিল না। অবশেষে রেল কর্তৃপক্ষের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর অর্থাৎ ২রা অক্টোবর ট্রেনটি দর্শনা হল্ট স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রাবিরতি করে।
এ উপলক্ষ্যে পুরো স্টেশন দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। বুধবার রাত ১২টার পর ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস দর্শনা হল্ট স্টেশনে এসে থামলে ট্রেনের পরিচালক, লোকোমাস্টার এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দর্শনা ও আশপাশের এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এখন থেকে ট্রেনটি সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাড়া নিয়মিত দর্শনা হল্ট স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। তবে ঢাকা-খুলনার মধ্যে চলাচলকারী অপর আন্তঃনগর ট্রেন ডাউন চিত্রা এক্সপ্রেস অচিরেই দর্শনা হল্ট স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে বলে মনে করেন দর্শনাসহ আশপাশের এলাকাবাসী। কারণ চিত্রা এক্সপ্রেস কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার সময় দর্শনা হল্ট স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে।
আমিনুর রহমান নয়ন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার।

