আপডেট: September 27, 2026
বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:: বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভ্যানচালক সুমন সিকদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর পলাতক আসামি সুমন সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার কবাই ইউনিয়নের শিয়ালগুনি এলাকায় মোয়াজ্জেম হাওলাদারের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার সুমন সিকদার (৩০) কবাই ইউনিয়নের শিয়ালগুনি গ্রামের বাবুল সিকদারের ছেলে। নিহত সুমন সিকদার (৩৮) কালেরকাঠি গ্রামের মৃত আদম আলী সিকদারের ছেলে।স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) -৮ বরিশাল সদর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার রিফাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে নিহত সুমন সিকদারের বাড়ির সামনে পূর্বশত্রুতার জেরে কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রিগ্যান হাওলাদার, সুমন সিকদার ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মন্নান তালুকদার ওরফে মনাসহ ৮ থেকে ১০ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে সুমনের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। পরে তাকে মৃত ভেবে বাড়ির পাশেই একটি পুকুরপাড়ে ফেলে রেখে চলে যান।জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত সুমনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে রিগ্যান হাওলাদার (৩৫), মন্নান তালুকদার ওরফে মনা (৬৫) ও সুমন সিকদারকে (৩০) আসামি করে মামলা করা হয়। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন বলে জানিয়েছে এসআরবি। হত্যা মামলার পলাতক আসামি আটকের পর এলাকায় সস্থির নিশ্বাস ফেলছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার ১৭ দিন পর মামলার দুই নম্বর আসামি সুমন সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।বাকেরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) পলাশ সরকার বলেন, কবাই ইউনিয়নে ভ্যানচালক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করে এসআরবি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

