আপডেট: মে ১০, ২০২৬
আপডেট নিউজ:: আজ বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর, নিরাপদ ও ভালোবাসাময় সম্পর্কের নাম ‘মা’। প্রতি বছরের মতো এবারও মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। দিবসটি উপলক্ষে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন কোটি মানুষ।
মা শুধু একজন অভিভাবক নন, সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক, প্রথম আশ্রয় ও সবচেয়ে বড় নির্ভরতার নাম। জন্মের পর থেকেই সন্তানের বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে মায়ের অবদান জড়িয়ে থাকে নিবিড়ভাবে। শৈশবের হাতেখড়ি থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি সংকট ও সাফল্যে মা হয়ে ওঠেন সন্তানের সাহস ও প্রেরণার উৎস।পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ অথচ গভীর আবেগের শব্দ ‘মা’। সামান্য কষ্ট বা ভয় পেলেও মানুষ অজান্তেই মাকে ডাকে। মায়ের স্নেহ, মমতা আর ত্যাগের তুলনা হয় না কোনো কিছুর সঙ্গে। তাই যুগে যুগে কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীরা তাদের সৃষ্টিকর্মে মাকে তুলে ধরেছেন গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক হিসেবে।
বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মায়ের সঙ্গে ছবি ও স্মৃতিচারণমূলক লেখা পোস্ট করছেন অনেকে। কেউ মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করছেন, কেউবা স্মরণ করছেন পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া মাকে। আবেগঘন নানা বার্তায় ভরে উঠেছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম।ইতিহাস বলছে, ১৯০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস পালন করা হয়। মার্কিন স্কুলশিক্ষিকা আনা জার্ভিস তার মা অ্যান মেরি রিভস জার্ভিস–এর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেন। মায়ের মৃত্যুর পর তিনি দেশজুড়ে সব মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বিশেষ একটি দিনের স্বীকৃতি আদায়ে আন্দোলন শুরু করেন।
প্রথমদিকে তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হলেও তিনি প্রচারণা চালিয়ে যান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মা দিবস পালনের প্রচলন শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।আজকের এই দিনে পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা। সব মা সুস্থ, নিরাপদ ও ভালো থাকুক— এটাই বিশ্ব মা দিবসের প্রত্যাশা।

