আপডেট: January 3, 2021
স্থানীয় আবু সাঈদ জানান, সন্ধ্যার দিকে দুইটি শিয়াল গ্রামে প্রবেশ করে হঠাৎ নারী-পুরুষ শিশুসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষকে কামড়িয়ে আহত করে। পরে তাদের উদ্ধার করে ৩২ জনকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
হাসপাতালে আহত একাধিক রোগী জানায়, বাড়িতে কাজ করা সময় দুইটি শিয়াল হঠাৎ করে কামড়িয়ে পালিয়ে গেছে।
আহতরা সবাই একই গ্রামের। আহতরা হলেন গোলাপ মিয়া, মামুন, কাদির, আশরাফুল ইসলাম, নায়েব আলী, সেফালী, ওয়াসিম, রাজু মিয়া, আকরাম, হারুন মিয়া, বাদশা মিয়া, হৃদয়, মাতব মিয়া, সুহেদা, মাইনুদ্দিন, ফৌজিয়া আক্তার, হেলাল উদ্দিন, লাকি আক্তার, শান্তা, আশরাফুল মিয়া, কাদির মিয়া, জুতি, জজ মিয়া, রাসেদা, নিলুফা বেগম, মামুন, ইয়ার হোসেন, হোসেন মিয়া, সাইদুর রহমান, তানিয়া বেগম, সামসেদ, কুদরত মিয়া প্রমুখ।
তাঁজপুর গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী হারুন মিয়া বলেন, ভাই আর ভাতিজি বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটি শিয়াল ভাই ও ভাতিজিকে কামড়িয়ে পালিয়ে যায়। গোলাপ মিয়া একটি শিয়ালকে ঝাপটিয়ে ধরলে শিয়ালটিকে মেরে ফেলা হয়। একটি শিয়াল পালিয়ে যায়। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন জানান, হাসপাতালে ৩২ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন টিকা নিয়ে বাড়িতে চলে যায়। বাকিদেরকে জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

