আপডেট: October 15, 2021
অনলাইন ডেস্ক:: কক্সবাজারের লাবণী ৩০৪ মণ্ডপের প্রতিমাগুলো ঢোল, তবলা, বাঁশিসহ নানা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে বিসর্জন দিয়েছেন লাখো ভক্ত। শুক্রবার বিকেলে সৈকতে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নয়, সব ধর্মের মানুষ ও বিদেশিরা জড়ো হন দেশের এই সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে। লাবণী পয়েন্টের এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। তাদের সাথে যোগ কক্সবাজারে বেড়াতে আসা সাধারণ পর্যটকরাও।
সব শ্রেণি-পেশার মানুষের এই সমাবেশকে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতির অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন পূজা উদযাপন কমিতির নেতারা।এদিকে প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন। কয়েক স্তরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন পুলিশের পাশাপাশি, বিচকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম ও সাদাপোশাকের সদস্যরা।
প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ বলেন,সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠানটি এ দেশের অন্যতম বড়। এতে লাখো মানুষের মিলনমেলা আরও একবার প্রমাণ করে, এ দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।
সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট রনজিত দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান, ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান।

