চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড করার অভিযোগ স্যানেটারী ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে

আপডেট: July 15, 2021

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চরফ্যাসন ভোলার চরফ্যাসন উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা না পেয়ে উল্টো ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ২০হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্যানেটারী ইন্সপেক্টর নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে । গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) চরফ্যাসন উপজেলার সাংবাদিক কল্যান তহবিল বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন উপজেলার চেয়ারম্যান বাজারের ব্যবসায়ী মিরাজ মেডিকেল হলের মালিক মিজান।

মিজান অভিযোগ করে জানান, তারা সরকারের নিয়মনীতি মেনে ড্রাগ লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ৫ জুলাই উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর নুরুল আমিন তার ফার্মেসীতে গিয়ে ১০হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। করোনার কারণে ব্যবসায়ীক অবস্থা ভালো না জানিয়ে মিরাজ টাকা দিতে অস্বিকৃতি জানান। টাকা না দেয়ায় ১৪ জুলাই তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে এনে এ অর্থদন্ড করেন।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, চেয়ারম্যান বাজারে ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন বেশ কিছু ফার্মেসী থাকলেও কোনটিতে অভিযান না করে শুধু মাত্র আমার ফার্মেসীতেই অভিযান চালানো হয়েছে। এটা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর নুরুল আমিনের ক্ষোভের বহিপ্রকাশ।

এদিকে নীলিমা জ্যাকব ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মনির আহমেদ শুভ্র সাংবাদিককে জানান, আমি অভিযুক্ত নুরুল আমিনকে হজ্ব কাফেলা ব্যবসায়ী হিসেবে চিনি। ওনিতো বারোমাস হজ্ব আর জমির দালালী নিয়ে ব্যস্ত থাকে স্যানেটারী ইন্সপেক্টরের কাজে কোন ভূমিকা চরফ্যাসনের কোথায় ও দেখতে পাওয়া যায়না তাকে। এমনকি দুলারহাটসহ চরফ্যাসনের বিভিন্ন হোটেলে পঁচা বাসি খাবার বিক্রি হয়, সেখানে তাকে দেখা যায়না।

উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর নুরুল আমিন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেছেন, আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন অভিযোগ করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন কুমার বসাক জানান, অফিসে তার নিয়মিত হাজিরা আছে। তবে হাজিরা দিয়ে দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network