আপডেট: August 30, 2020
অনলাইন ডেস্ক:: অবশেষে নিখোঁজের প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর নড়াইলের লোহাগড়ার কালনা ঘাট এলাকায় মধুমতি নদীতে নিখোঁজ হওয়া পুলিশ সদস্য আবু মুসা রেজওয়ান মোল্যার (২৮) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিন্তু এখনো নিহত পুলিশ সদস্যের শিশুপুত্র আনাসের খোঁজ মেলেনি। গত শুক্রবার এ দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকে উদ্ধার অভিযান চললেও গত শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উদ্ধার কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লোহাগড়ার মহিসাপাড়া ঘাট এলাকায় (কালনা ঘাট থেকে ১ কিলোমিটার দক্ষিণে) মধুমতি নদীতে লাশ ভাসতে দেখে এলাকার লোকজন পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে কাশিয়ানি থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পরিবারের কাছে সকাল ১০টার দিকে লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ।
সূত্র জানায়, গত শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে লোহাগড়ার চাচই গ্রামের আজাদ মোল্যার ছেলে পুলিশ কনস্টেবল আবু মুসা রেজওয়ান মোল্যা (২৮) তার স্ত্রী সাদিয়া বেগম ও ছয় মাস বয়সী শিশুপুত্র আনাসসহ ছয়জন মিলে নৌকা ভ্রমণে মধুমতি নদীতে যান। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ি ফেরার জন্যে রওনা হলে কালনা ঘাটের কাছে এসে ট্রলারের ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ট্রলারটি চালকের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। প্রচণ্ড স্রোত থাকায় দিশেহারা হয়ে পড়েন চালক। একপর্যায়ে দ্রুত গিয়ে ট্রলারটি নির্মাণাধীন মধুমতি সেতুর নদীর মাঝের শিটপাইলের সাথে আঘাত লাগে। পুলিশ কনস্টেবল আবু মুসা রেজওয়ান শিশুপুত্রকে নিয়ে নৌকার ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন। সজোরে ঢাক্কা লাগায় আবু মুসা শিশুপুত্রকে নিয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হন।

