শিরোনাম
বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পিরোজপুরে ২০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চরফ্যাশনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে অবাঞ্চিত বন-জঙ্গল, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ খয়রাবাদ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার করে চত্বরে বালু ভরাট করলেন হিউমিনিটি এন্ড স্পোর্টস এলাইন্স সামাজিক সংগঠন খুলনায় বিদেশি পিস্তলসহ যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী রিফাত আটক পাথরঘাটায় ৭ কোটি টাকার শাড়ি-পাঞ্জাবি জব্দ, আটক ৫ সামাজিক সংগঠন গর্বের বাকেরগঞ্জ’র উপজেলা শাখার সভাপতি আফজাল, সাধারণ সম্পাদক শাহিন জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : ইসি আনোয়ারুল মেহেন্দিগঞ্জে চরাঞ্চলে নদীর বুকে ভাসমান হাসপাতাল, মিলবে বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা

পোশাকে রপ্তানি আয় কমেছে ৫৩ হাজার কোটি টাকা

আপডেট: July 3, 2020

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯-এর প্রভাবে বড় ধরনের সংকটে পড়েছে দেশের রপ্তানি আয়ের শীর্ষ খাত তৈরি পোশাক শিল্প। বিশেষ করে সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপ এবং আমেরিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এর বড় ধাক্কাটা এসেছে বাংলাদেশে। ফলে গত চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে তলানিতে পড়েছে পোশাক রপ্তানি।

তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সদ্যঃসমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে পোশাক পণ্য রপ্তানি কমেছে আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলারের। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা। পোশাক রপ্তানিতে এমন ভয়াবহ ধস গত চার দশকে দেখেননি রপ্তানিকারকরা।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানি করেছিল তিন হাজার ৪১৩ কোটি ডলারের। সদ্যঃসমাপ্ত অর্থবছরে তা নেমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৭৮৩ কোটি ডলারে। তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা বলছেন, আগামী মাসগুলোয়ও পরিস্থিতির বিশেষ কোনো উন্নতির লক্ষণ দেখছেন না তাঁরা। দেশের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান স্টারলিং গ্রুপের মালিক ও এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, চলতি মাসের কিছু ক্রয়াদেশ তাঁর কারখানায় রয়েছে। কিন্তু আগস্ট থেকে পরবর্তী মাসগুলোর রপ্তানি আদেশ নেই বললেই চলে। সেপ্টেম্বর থেকে মূলত পরবর্তী গ্রীষ্মের রপ্তানির পণ্য তাঁরা তৈরি করেন। এসব ক্রয়াদেশ নিয়ে মূলত এই সময়টিতে আলোচনা হয়। কিন্তু এবার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। রপ্তানির অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাবে আশঙ্কা করে তিনি বলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত পর্যটকের স্বাভাবিক চলাচল শুরু না হবে, তত দিন পোশাকজাতীয় পণ্য তেমন বিক্রি হবে না। ফলে আমাদের রপ্তানি আদেশও কমতির দিকেই থাকবে।’

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘করোনা শুরুর সময় পরিস্থিতি যতটা খারাপ ছিল, এখন তার অগ্রগতি হয়েছে। আগামী দিনে ইউরোপ ও আমেরিকার ক্রেতাদের বড়ো ধর্মীয় উৎসব বড়দিনের কেনাকাটা হবে। হয়তো কিছুটা কম হবে। কিন্তু অনলাইন বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি হবে।’ সূত্র জানিয়েছে, সদ্যঃসমাপ্ত জুনে রপ্তানি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত এপ্রিলে পোশাক রপ্তানি হয়েছিল মাত্র সাড়ে ৩৭ কোটি ডলার। মে মাসে ১২০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আর জুনে এসে রপ্তানি হয়েছে ২১২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের এবং রপ্তানির নেতিবাচক ধারা থেকেও বের হয়ে আসার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network